সন্ধান২৪.কমঃ বাংলাদেশের হিন্দুদের সংখ্যালঘু হিসেবে স্বীকৃতি এবং তাদের জন্য ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’এর দাবী জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হিন্দু কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ।
ওয়াশিংটন বাংলাদেশ দুতাবাস অফিসের এম্বেসেডর শহীদুল ইসলামের সাথে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী হিন্দু কমিউনিটির এক মতমিনিময় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে চলমান সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিদুৎ সরকার ও প্রকাশ গুপ্ত প্রেরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
বিদ্যুৎ সরকার এবং প্রকাশ গুপ্ত প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, প্রবাসী হিন্দু কমিউনিটির উদ্যোগে গত ১৪ জানুয়ারী আমেরিকায় সকালে ওয়াশিংটন বাংলাদেশ দুতাবাস অফিসের এম্বেসেডর শহীদুল ইসলামের সাথে বাংলাদেশে চলমান সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে জুম মিটিংয়ে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। এতে সংখ্যালঘু স্বীকৃতি, ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, মন্দির-মুর্তিভাঙ্গচুর ও ওয়াজি হুজুরদের প্রতিরোধ করার জন্য সরকারের কাছে জোরালো দাবী জানানো হয়। আমেরিকার রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলাম হিন্দু নেতৃবৃন্দের সাথে আগামী দিনে সেমিনার করে এ বিষয়ে কমিউনিটির সকল দল ও নেতাদের সাথে কাজ করতে ই”ছা প্রকাশ করেছেন।
এদিকে শিতাংসু গুহর পাঠানো একটি পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়, পরিচয় পর্বে প্রথমে দিলীপ নাথ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এবং মহুয়া দত্ত তাঁর লিখিত বক্তব্য পরে শোনান। এরপর দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য ও বিদ্যুৎ সরকার ‘সংখ্যালঘু হিসাবে স্বীকৃতি’ এবং ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’ প্রসঙ্গ আনেন। অন্যরা সবাই মোটামুটি তাঁদের পরিচয়ে সীমাবদ্ধ থাকেন। নিত্যানন্দ কিশোর দাস সংগঠনের মূল নেতা হলেও কথা বলেননি এবং শুধু পরিচয়ে সীমাবদ্ধ থাকেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নবেন্দু দত্ত, প্রবীর রায়, ভজন সরকার, রূপকুমার ভৌমিক, শিতাংশু গুহ, ভবতোষ মিত্র, শুভ রায় প্রমূখ।
এদিকে হিন্দু কমিউনিটির নেতা শিতাংসু গুহর পাঠানো আর একটি বিবৃতিতে বলা হয়, সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রায় কেউই ‘সংখ্যালঘু হিসাবে স্বীকৃতি’ এবং ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’ -কি জানেন না? ‘সংখ্যালঘু হিসাবে স্বীকৃতি’ এবং ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’ সংগঠনের সিদ্ধান্ত নয়। জুম মিটিং-র পর অনেকেই এনিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। শিতাংশু গুহ তার ফেইসবুক পোষ্টে লিখেছেন,‘সংখ্যালঘু হিসাবে স্বীকৃতি’ এবং ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’-কি জিনিস আমার জানা নেই। ‘আমি দীর্ঘদিন বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে কাজ করছি, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের যেসব দাবি, এর বাইরে আমার কোন দাবি নেই’।
উল্লেখ্য ‘ইউনাইটেড হিন্দুজ অফ ইউএসএ (‘ইউএইচইউ’) ১৯শে নভেম্বর ২০২১ হোয়াইট হাউসের সামনে প্রায় ১ হাজার মানুষ নিয়ে একটি প্রতিবাদ করে। একই দিন সকালে ইউএসইউ-র একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে দূতাবাসে একটি বৈঠকে মিলিত হয়। এরই ফলশ্রুতিতে ১৪ জানুয়ারি সকালে আবার একটি জুম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাষ্ট্রদূত শুরুতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। সোয়া ঘন্টার এই জুম মিটিংয়ে রাষ্ট্রদূত ছাড়াও উপ¯ি’ত ছিলেন,ব্রিগেডিয়ার হাবিবুর রহমান এবং মুনিরুজ্জামান।


