ডারবান টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার আম্পায়ারদের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ এবং স্বাগতিক দলের ক্রিকেটারদের অতিরিক্ত স্লেজিংয়ের অভিযোগ আইসিসিকে জানাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস বলেন, ওয়ানডে সিরিজের আম্পায়ারিং নিয়ে এরই মধ্যে অভিযোগ জানিয়েছি আমরা। শুরুতে ম্যাচ রেফারি আমাদের ম্যানেজার নাফিস ইকবালের সঙ্গে বাজে আচরণও করেছিল, তবে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর নরম হয়েছে। এই টেস্ট ম্যাচ নিয়েও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাব আমরা।
বিসিবির এই পরিচালক আরও বলেন, মাহমুদুল হাসান যখন ব্যাটিং করতে গেল, ওরা ঘিরে ধরেছিল তাকে। কিছু বলছিল। সে জুনিয়র খেলোয়াড় বলে জবাবে কিছু বলতে পারেনি। এটা নিন্দনীয়। তবে স্লেজিং নিয়ে যখনই আম্পায়ারদের কাছে অভিযোগ করেছি আমরা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার বদলে বরং আমাদের খেলোয়াড়দেরই সতর্ক করেছেন আম্পায়াররা।
তিনি আরও বলেন, অবশ্যই দুই দলের দিক থেকেই স্লেজিং হয়েছে, তবে তারা শুরু করেছিল এটি। আম্পায়ারদের কাছে অভিযোগও করেছি আমরা। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত আমাদের মেনে নিতে হবে, কিন্তু অবশ্যই নিরপেক্ষ আম্পায়ার ফিরিয়ে আনা উচিত আইসিসির।
আম্পায়ারদের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ নিয়ে ডারবান টেস্ট শেষে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক সৌরভ বলেন, আমার মনে হয়, আইসিসির উচিত এটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা। নিরপেক্ষ আম্পায়ারিং আবার ফিরিয়ে আনা উচিত। কোভিডের আগে যেমন ছিল তেমন। কোভিডের কারণে মাঝে হয়নি। এখন তো কোভিড নিয়ন্ত্রণে আছে। শুধু এ সিরিজে নয়, অনেক সিরিজেই এমন ভুল আম্পায়ারিং হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ডারবান টেস্টে অন-ফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করছেন দক্ষিণ আফ্রিকান দুই আম্পায়ার মারাই এরাসমাস ও আড্রিয়ান হোল্ডস্টক। তারা দুজনে বাংলাদেশের বিপক্ষে একাধিক ভুল সিদ্ধান্ত দেন। স্বদেশী ক্রিকেটাররা প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের গালাগালি করলেও তাদের সতর্ক না করে উল্টো বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের শাসিয়েছেন।


