ডারবান টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৩ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। টাইগারদের লজ্জার হারের ম্যাচে সমালোচনা হয়েছে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নিয়েও। দ্বিতীয় ইনিংসে প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়া পর্যন্ত অন-ফিল্ডের দুই আম্পায়ারের সাতটি সিদ্ধান্ত রিভিউতে বদলাতে হয়েছে। এরপর টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান টুইট করেন, আইসিসির নিরপেক্ষ আম্পায়ার ফিরিয়ে আনা উচিত। সাকিবের এমন বার্তায়, তাকে ম্যাচ রেফারিদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেট কলামিস্ট টেলফোর্ড ভাইস।
ডারবান টেস্টে অন-ফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন দক্ষিণ আফ্রিকান দুই আম্পায়ার মারাই এরাসমান ও আদ্রিয়ান হোল্ডস্টক। এরাসমাস আইসিসির এলিট প্যানেলের অন্তর্ভূক্ত। তিনি ক্যারিয়ারের ৭১তম টেস্টে দায়িত্ব পালন করেন ডারবানে। গত বছর আইসিসির বর্ষসেরা আম্পায়ারের পুরস্কারও জিতেছিলেন তিনি।
ডারবান টেস্টে অন-ফিল্ড আম্পায়ারদের ডে সাতটি সিদ্ধান্ত বদলাতে হয়েছে তার পাঁচটিই দিয়েছিলেন এরাসমাস। আর ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্টে দায়িত্ব পালন করেন হোল্ডস্টক। ইনিংসে তার দুটি সিদ্ধান্ত বদলাতে হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসের ৪৪তম ওভার পর্যন্ত এলবিডব্লিউর রিভিউয়ে চারটি আম্পায়ারস কল হয়েছে, এর তিনটিই বিপক্ষে গেছে বাংলাদেশের। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনটি উইকেটের দুটিই বাংলাদেশ পেয়েছে রিভিউ নিয়ে, তবে রিভিউ নিলে বাংলাদেশ পেতো পারতো অন্তত আরো একটি উইকেট।
করোনার কারণে টেস্টে স্বাগতিক দেশের আম্পায়ার দিয়ে টেস্ট ম্যাচ পরিচালনার নিয়ম করেছিল আইসিসি। আম্পায়ারদের ভোগান্তি কমলেও, নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সাকিবের দাবি তাই অমূলক নয়।
সাকিবের সেই বার্তা নেতিবাচকভাবে নিয়েছেন প্রোটিয়া ক্রিকেট কলামিস্ট টেলফোর্ড ভাইস। তিনি লিখেছেন, ‘ম্যাচে চারটি ভুল সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে এবং চারটি পক্ষে গেছে। এটা সাকিব আল হাসানের ভালোভাবে জানা উচিত। এক্ষেত্রে এরাসমাস ও হোল্ডস্টকের কাছে সাকিবের ক্ষমা চাওয়া উচিত।’
সাকিব টুইটারে লিখেছিলেন, ‘বেশিরভাগ ক্রিকেট খেলুড়ে দেশেই করোনা পরিস্থিতির অবস্থা ঠিক বলে আমার মনে হয়, আইসিসির উচিত এখন নিরপেক্ষ আম্পায়ার ফিরিয়ে আনা।’


