সন্ধান২৪.কম আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের দেয়া প্রতিশ্রæতির বাস্তবায়নের দাবীতে যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু ইউনিটি কাউন্সিল এক সমাবেশের আয়োজন করে।
বিশ্ব ব্যাংকের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আসেন। এ উপলক্ষে বিকেলে জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায়,তার তিনটি প্রতিশ্রæতির কথা স্মরণ করে দেয়ার উদ্দেশ্যে এই সমাবেশ হয়।

সমাবেশে বক্তরা বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রধানত তিনটি প্রতিশ্রæতি দেন। যার মধ্যে ছিল (১) সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন পাশ
(২) জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন ও (৩) বাতিলকৃত শত্রæ(অর্পিত) সম্পত্তি আইনে অধিগৃহীত সকল সম্পত্তি প্রকৃত মালিককে দ্রæত ফিরিয়ে দেওয়া। কিন্ত সেই নির্বাচনের পর ১৪ বছর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলেও, এখন পর্যন্ত কোন প্রতিশ্রæতিই বাস্তবায়ন করে নাই। যা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইচ্ছা করলেই তা বাস্তবায়ন করতে পারেন বলে সমাবেশে অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
সমাবেশে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার এই সফরের সাফল্য কামনা করে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এগুলো বাস্তবায়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ। সরকার চাইলে বালাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব।
বক্তরা আরও বলেন,সরকার চাইলে বালাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব । ২০২২ সালের পুজোয় অঘটন ঘটেনি, কারণ সরকার কঠোর ছিলো। আইন করে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শূন্য-সহনশীলতার নীতি অবলম্বন করলেই সেটা বন্ধ করা সম্ভব। বিচার এবং শাস্তির ভয় থাকলে মৌলবাদী ও উগ্রপন্থীরা দেশের হিন্দু,বৌদ্ধ,খৃস্টান ও আদিবাসীদের টার্গেট করে সন্ত্রাস চালাতে সাহস করবে না।

বক্তরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে, আগামী নির্বচনের আগেই সংখ্যালঘু নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রণয়ন এবং চিহ্নিত সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে দেশের বিপন্ন সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব সুরক্ষার টেকসই ব্যবস্থা গ্রহন করা দাবী জানান।
সেই সাথে তার দলের দেয়া তিনটি প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়নের আহŸান জানান।
অচিরেই তিন প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়ন না করলে, বিশ্বব্যাপী সমস্ত সংখ্যালঘুদের নিয়ে আরো কঠোর আন্দোলনের ঘোষনা দেন সমাবেশ থেকে।
সভায় বক্তব্য রাখেন হিন্দু ইউনিটি কাউন্সিলের নেতা নবেন্দু দত্ত,শিতাংসু গুহ,দীনেশ মজুমদার,বিষ্ণু গোপ,ভজন সরকার,সুশিল সিনহা, কুমার বাবু সাহা, জয় দেব,গোবিন্দ জি বানিয়া,মুনমুন সাহা প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উত্তম সাহা।


