সন্ধান২৪.কম: বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রবীন সাংবাদিক মাহবুবুর রহমানকে সিলেট সদর থানা অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আজীবন সম্মাননা জানানো হয়েছে।
৩০ জুলাই রোববার গুলশান ট্যারেসে আয়োজিত সিলেট সদর থানা অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে খ্যাতিমান সাংবাদিক-লেখক মাহবুবুর রহমানকে ছাড়াও সম্মাননা দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি মরহুম কামাল আহমেদ এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দি অপটিমিস্টসকে।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক রানা ফেরদৌস চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভার্সুয়ালী বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও এলিস আইল্যান্ড পদকে ভূষিত একমাত্র বাংলাদেশী বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ।
সাংবাদিক-লেখক মাহবুবুর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবনের নানাদিক তুলে ধরেন নিউইয়র্ক মেডিক্যাল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের চেযারম্যান অ্যান্ড ডাইরেক্টর প্রফেসর ডা. সাদউজ্জামান চৌধুরী, ঠিকানার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এমএম শাহীন ও প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সংস্করণের সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন। অধ্যাপক রানা ফেরদৌস চৌধুরী, এমএম শাহীন, সিলেট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবরুল হোসেন বাবুলসহ সংগঠনের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে সাংবাদিক-লেখক মাহবুবুর রহমানের হাতে আজীবন সম্মাননা তুলে দেন। পরে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অতিথিদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি মরহুম কামাল আহমেদের কন্যা রোমানা আহমেদ এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দি অপটিমিস্টস’র সাধারণ সম্পাদক নিশাতের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফোবানার সাবেক প্রেসিডেন্ট বেদারুল ইসলাম বাবলা, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র সাধারণ সম্পাদক মঈনুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুনেদ খান, বিশিষ্ট শিল্পপতি জহিরুল ইসলাম, ইভেন্ট কমিটির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম নাসিম, সমন্বয়কারী আব্দুল ওয়াদুদ ও সদস্য সচিব মিনহাজ চৌধুরী, সংগঠনের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সেলিনা উদ্দিন প্রমুখ।
কলামিস্ট মাহবুবুর রহমান নিজের এলাকার লোকজনের সম্মামনা গ্রহণ করে বলেছেন, নিজের এলাকার লোকজনের এমন ভালোবাসা প্রাপ্তি তাঁর জন্য গর্বের ও অহংকারের। নিজের পেশা দিয়ে নিজের এলাকার মানুষের হৃদয় জয় করাটা কঠিক কাজ হলেও গত ৫০ বছর তিনি পেশার সাথে সৎ থেকে দায়িত্ব পালন করে গেছেন বলে উল্লেখ করেন। তাঁর এ অগ্রযাত্রায় পাঠক ও জনসমাজ ব্যাপকভাবে পাশে ছিলেন বলেই সাংবাদিকতার অগ্রযাত্রা সবসময়ই আনন্দের ছিল বলে মাহবুবুর রহমান উল্লেখ করেন।
সঙ্গীত পরিবেশন করেন উত্তর আমেরিকার জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী শাহ মাহবুব, তানভীর শাহীন ও কৃষ্ণা তিথী।


