সন্ধান২৪.কম : করোনা সংক্রমণের কারনে মৃত্যু, অসুস্থতা এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়েও মানুষ যখন দিশেহারা, তখনও বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের ভয়ংকর দৃশ্য উঠে এল। শুধুমাত্র জুলাই মাসে বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১০৭ মহিলা ও শিশু। জুন মাসেও সংখ্যাটা ছিল ১০১ !
জুলাই মাসে বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১০৭ মহিলা ও শিশু। আর ধর্ষণ-সহ মোট নারী নির্যাতনের পরিসংখ্যানটা একই রকম ভয়ংকর! শুধুমাত্র জুলাই মাসে ওপার বাংলায় ২৩৫ জন মহিলা ও কন্যাশিশুর উপর নির্যাতন হয়েছে।


মঙ্গলবার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদিকা মালেকা বানু এই তথ্য দেন। বাংলাদেশের ১৩টি প্রথম সারির সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে পরিসংখ্যাটি তৈরি করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। তাতেই বলা হয়েছে, জুলাই মাসে হওয়া দেশের ১০৭টি ধর্ষণের ঘটনার মধ্যে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১৪টি। শুধু তাই নয়, জুলাই মাসে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে তিনজন নারীকে। ধর্ষণের চেষ্টা করার ঘটনা ঘটেছে ৯টি। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক তথ্য হল, এক মাসে সে দেশে ঘটনা ১০৭টি ধর্ষণের ঘটনার মধ্যে শিশুদের সঙ্গে ঘটেছে ৭২টি ঘটনা।
কেন এত নারী নির্যাতনের ঘটনা? পরিসংখ্যান বলছে, নানা কারণে হত্যা করা হয়েছে ৪৬ জন মহিলা ও কন্যা শিশুকে। পণের জন্যে অত্যাচারের শিকার ১৫ জন মহিলা। এক মাসে শুধু পণের জন্যে হত্যা করা হয়েছে ৭ জনকে। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে ১০ জন নারী আত্মহত্যা করেছেন এবং ১৮ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছেন পাঁচ জন নাবালিকা।
যদিও জুন মাসেও চিত্রটা খুব একটা আলাদা ছিল না। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুন মাসে ৩০৮ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছিল ১০১ জন নারী ও শিশু। জুন মাসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন ২৫ জন নারী। ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় সাত জনকে। তথ্যসুত্র : এই সময়


