সন্ধান২৪.কম : ১৯৯৬ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর দিনটি ছিল শুক্রবার সালমান চলে যান না ফেরার দেশে। । ঠিক মতোই এমনই এক সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনই নয়, সাধারণ মানুষের মনকেও আকস্মিক এক খবরে হতবাক করে দেয়।
মৌসুমী, শাবনূর, শাবনাজ, শাহনাজ, লিমা আরো অনেক নায়িকার সঙ্গেই জুটি হয়েছিলেন সালমান। সালমান শাহ অভিনীত ছবির মধ্যে অন্যতম- কেয়ামত থেকে কেয়ামত, তুমি আমার, অন্তরে অন্তরে, সুজন সখী, বিক্ষোভ, দেনমোহর, বিচার হবে, এই ঘর এই সংসার, আনন্দ অশ্রু। তার অভিনীত প্রতিটি সিনেমাই ব্যবসায়িক সফলতা পেয়েছিল।
১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’র সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন সালমান শাহ। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ওই সিনেমাতে তার সঙ্গে নায়িকা হিসেবে ছিলেন নবাগত মৌসুমী। প্রথম সিনেমার পরই দর্শকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন সালমান।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় সালমানের। এটি খুন নাকি আত্মহত্যা সেটি আজও রহস্যই রয়ে গেছে। যদিও সর্বশেষ পিবিআইয়ের প্রতিবেদন বলছে পারিবারিক কলহে সালমান আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃত্যুর এত বছর পরেও তার জনপ্রিয়তার একটুও কমেনি। দিন যাচ্ছে, বছর যাচ্ছে সালমান ততই যেন জনপ্রিয় হচ্ছেন চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে।
নীলা চৌধুরীর বর্ণনা ছিল এ রকম, বলেছে স্যার এখনতো উপরে যেতে পারবেন না। কিছু প্রবলেম আছে। আগে ম্যাডামকে (সালমান শাহ’র স্ত্রীকে) জিজ্ঞেস করতে হবে। এক পর্যায়ে উনি (সালমান শাহ’র বাবা) জোর করে উপরে গেছেন। কলিং বেল দেবার পর দরজা খুললো সামিরা (সালমান শাহ’র স্ত্রী)।


