সন্ধান২৪.কম : লখনউ-এর বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারকের রায়, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরের ওই ঘটনার পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র বা পূর্ব পরিকল্পনা ছিল না। গোটাটাই ‘হঠাৎ ঘটে যাওয়া’ স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের ফল। ঘটনায় মোট অভিযুক্তের সংখ্যা ছিল ৪৯। এর মধ্যে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি ৩২ জনের সে দিনের ভূমিকায় কোনও অপরাধ খুঁজে পায়নি আদালত। উল্টে ভাঙচুরের ঘটনা এঁরা আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন বলেও বলা হয়েছে রায়ে।


বাবরি ধ্বংস মামলায় মোট ৪৯ জন অভিযুক্তের মধ্যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অশোক সিঙ্ঘল, শিবসেনার বাল ঠাকরে, অযোধ্যার পরমহংস রামচন্দ্র দাসের মতো ১৭ জন ইতিমধ্যেই প্রয়াত হয়েছেন। এ দিন সশরীরে আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল বাকি ৩২ জনের। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতিতে বয়স জনিত কারণে হাজিরা থেকে অব্যাহতি পান লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলীমনোহর জোশী এবং কল্যাণ সিংহ-সহ ছ’জন। করোনা আক্রান্ত উমা ভারতী এই মুহূর্তে হৃষিকেশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁকে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। রামমন্দির ট্রাস্টের প্রধান নৃত্যগোপাল দাস এবং প্রাক্তন শিবসেনা সাংসদ সতীশ প্রধানও অব্যাহতি পান। একমাত্র মুরলীমনোহর জোশী ছাড়া ওই পাঁচ জন ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেন। সাক্ষী মহারাজ, সাধ্বী ঋতাম্ভরা-সহ বাকি ২৬ জন অভিযুক্ত সশরীরে আদালতে হাজির হন।


