

রাজধানীর বাদামতলী পাইকারি বাজার, মানিকনগর, মালিবাগ, বাড্ডা ও বসুন্ধরা গেট কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মানভেদে মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে। বাদামতলীর পাইকারি বাজারে মাল্টা বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কমলা। বিক্রেতারা বলেন, স্বাভাবিক সময়ে মাল্টা সাধারণত ১১০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। কিন্তু এবার আড়তে মাল একেবারেই কম। কিন্তু বিপরীতে বিক্রি বেড়েছে তিন গুণ। মানিকনগর বাজারের আলম ফলঘরের মালিক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘এ সময়টায় সাধারণত আম-কাঁঠালের চাহিদা থাকায় বিদেশি ফলের বেচা-বিক্রি খুবই কম থাকে। গত বছর এমন সময় দিনে ১০ থেকে ১২ কেজি মাল্টা বিক্রি করতে পেরেছিলাম। কিন্তু এবার চারটা পর্যন্ত দোকান খোলা রেখেও ৩০ থেকে ৩৫ কেজি মাল্টা বিক্রি করতে পারি।’
গত এপ্রিলেও বাজারে মাল্টার দাম ছিল ১১০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি। ওই সময় হঠাৎ দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা বাড়ানোর দায়ে বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ীদের জরিমানাও করা হয়। গত ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে ফলের বৃহত্তম পাইকারি বাজার ফলমণ্ডিতে অভিযান চালিয়ে সিন্ডিকেটের দায়ে দুটি আড়তকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। করোনা আসার পর থেকে সবচেয়ে বেশি চাহিদা বেড়েছে কালিজিরার। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়ে কালিজিরা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। ফেব্রুয়ারিতেও এই দামেই বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু করোনার প্রভাব শুরু হওয়ার পর ধীরে ধীরে দাম বাড়াতে থাকে পাইকাররা। ফলে খুচরা বাজারেও দাম বাড়ে। শেষ পর্যন্ত ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল। এখন অনেকটাই কমে এসেছে। খুচরা বাজারে এখন কালিজিরা বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি। অনেক দোকানি ১০০ গ্রাম কালিজিরা নিলে ৩০ টাকাও রাখছেন। শ্যামবাজারে কালিজিরা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি।


