সন্ধান২৪.কম : সামাজিক ও শারিরীক বাস্তবতার কারণে সে দেশের নারীরা নিকাহ্ রেজিস্ট্রার বা কাজি হতে পারবেন না,বাংলাদেশের হাইকোর্ট রোববার প্রকাশিত এক রায়ে এক কথা বলছে । এই ঘোষনায় বাংলাদেশে বিভিন্ন নারী সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুরের এক নারী নিকাহ্ রেজিষ্ট্রার প্রার্থী ২০১৪ এনিয়ে আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন।
রায়ে যা বলা হয়েছে
হাইকোর্ট এই রায়টি দিয়েছিল ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। রোববার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।
রায়ের পর্যবেক্ষণকে উল্লেখ করে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, মাসিকের কারণে একজন নারী প্রাকৃতিকভাবে প্রত্যেক মাসে একটি নির্দিস্ট সময়ে ধর্মীয় আচারাদি পালন করতে পারেন না। কিন্ত এটি একটি খোঁরা যু্ক্তি বলে দাবী করেছেন নারী সমাজ। তারা বলেছেন. নারীদের মাসিক ৩/৪ দিন থাকে,সেই তিন/চারদিন বাদে বাকি পুরো মাস তারা কাজ করতে পারেন।তাতে কোন ধরণের অসুবিধা হওয়ার কথা না। এ বিষয়ে তারা উচ্চ আদালতে যাবেন এবং সেই সাথে আন্দোলন-সংগ্রামও করবেন।
“একজন মুসলিম নারী ওই সময়ে নামাজ আদায় করতে পারেন না কিংবা মসজিদে যেতে পারেন না। ফলে ওই সময় কোন বিয়ের অনুষ্ঠান হলে তিনি কিভাবে সামলাবেন? এমন প্রশ্ন তোলা হয়েছে রায়ের পর্যবেক্ষণে।”
এছাড়া নারী হওয়ার কারণে একজন মুসলিম ম্যারেজ রেজিস্ট্রার হিসেব দায়িত্ব পালনে কিছু সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নারীদের বক্তব্য হচেছ, যদি প্রধানমন্ত্রী, সংসদের স্পীকার ও বিরোধী দলের নেতা নারী হতে পারে তবে তাদের ক্ষেত্রে এ নিয়ম কেন করা হবে ?


