সন্ধান২৪.কম : অক্সফোর্ডের করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ফলে এমন দাবি করেছেন-করোনা প্রতিরোধী, নিরাপদ,সহনশীল ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন।
তাদের এই সাফল্যকে ঘিরেই বাড়ছে করোনা-যুদ্ধে জয়ের আশা। অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের দাবি, তাঁদের তৈরি টিকা চ্যাডস্ক-১ এনকোভ-১৯ নিরাপদ এবং করোনার বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম। চ্যাডক্স-১ এর তৃতীয় ধাপের পরীক্ষামূলক প্রয়োগও চলছে। এই পর্বে সফল হলেই সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পাবে অক্সফোর্ডের এই টিকা।বেশ কিছু দিন থেকে জল্পনা চলছিল, অক্সফোর্ডের তৈরি টিকার ফল নিয়ে। বিজ্ঞানী-গবেষকেরাও অপেক্ষায় ছিলেন। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ফলাফল আশানুরূপ— এমন গুঞ্জন ছড়িয়েছিল এবং চিকিৎসাবিজ্ঞান মহলে আশাও বাড়ছিল। অবশেষে সোমবার ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দ্য ল্যানসেট’-এ তার ফলাফল প্রকাশিত হতেই সেই আশা আরও বেড়ে গিয়েছে। অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের দাবি, পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ফলাফলে স্পষ্ট, এই টিকা শুধুমাত্র করোনার রুখে দিতে পারবে তাই নয়, এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।
অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা লিখেছেন, ‘‘চ্যাডক্স-১ এনকোভ-১৯ তেমন বড় কোনও পাশ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেনি। তৈরি করেছে অ্যান্টিবডি এবং টি-সেলস। অ্যান্টিবডির কাজ হল, কোনও ভাইরাসের সংক্রমণ হলে তার বিরুদ্ধে লড়াই করা। আর টি-সেলস অনেকটা ‘মেমরি চিপ’-এর মতো। অর্থাৎ টিকা প্রয়োগ করলে ওই ভাইরাসের সমস্ত বৈশিষ্ট্য টি-সেলস শরীরে ধরে রাখে। ভবিষ্যতে কখনও ফের সেই ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে ওই টি-সেলস ফের সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং তার বিরুদ্ধে লড়াই করে ভাইরাসকে প্রতিহত করে। টিকার মাধ্যমে তৈরি অ্যান্টিবডি শরীরে দীর্ঘ দিন না থাকলেও টি-সেলস অনেক বছর ধরে শরীরে থেকে যায়।


