সন্ধান২৪.কম: গত ২১ মে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টায় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংবিধানের সঙ্গেসাংঘর্ষিক নয় বিষয়ে হাই কোর্টের রায় এবং ধর্মের নামে মিথ্যা কটুক্তির অজুহাতে কারাদন্ডে দন্ডিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী তিথি সরকারের নিঃশর্ত মুক্তি দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এটির আয়োজক ছিঝল ইউনাইটেডহিন্দুস অব ইউএসএ ইন্ক।
সভায় সংগঠনের ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ইসকনের ব্রহ্মচারী নিত্যানন্দ কিশোর দাস গীতার শ্লোক পাঠের মধ্যে দিয়ে সমাবেশের শুভ সুচনা করেন। সভাপত্বি করেন এর সভাপতি ভজন সরকার এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রামদাস ঘরামী।
সংগঠনের বোর্ড অব ডাইরেক্টরের চেয়ারম্যান ডাঃ প্রভাত দাসের বক্তব্যের মাধ্যমে সুচনা হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিমাতা সুলভ আচরণ ও ফেইসবুক হ্যাক হওয়া জগন্নাথবিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তিথি সরকারের ধর্ম নিয়ে মিথ্যা মন্তব্যের উপর নির্ভর করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার ও হাইকোর্টের রায়ে ৫ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত করার তীব্র নিন্দা জানান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপদেষ্ঠা মন্ডিলীর প্রধান অধ্যাপক নবেন্দু দত্ত, উপদেষ্ট কলোম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড: দ্বীজেনভট্টাচার্য্য,বোর্ড অব ডাইরেক্টরের ভাইস চেয়ারম্যান সুশীল সিন্হা,প্রাবন্ধিক শিতাংশু গুহ, ভবতোষ মিত্র, সনজিত ঘোষ, এডভোকেট জয়জিত আচার্য্য, আশীষ ভৌমিক, দীনেশ মজুমদার, কার্তিক চন্দ্র দেব নাথ, নিতাই চন্দ্র পাল, সবিতা দাস, শংকর বিশ্বাস, পিন্টু দাস, স্বপন দত্ত, অসীম চন্দ্র দাস প্রমুখ।
বক্তরা বলেন,বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে ৩০ লক্ষ শহীদ এবং ২ লক্ষ মা-বোনদের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ এবং ১৯৭২সালে রচিত হয় একটি ধর্ম নিরপেক্ষ সংবিধান। পরবর্তিতে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার তার মধ্যে ধর্ম যুক্ত করেছেন। এরপর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ৫ম সংশোধনীতে “বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম” যুক্ত করে দেশের সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণীতে পরিনত করেন।


