সন্ধান২৪.কমঃ একজন বাংলাদেশি কনস্ট্রাকশন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিনব প্রতারণা ও নানা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিউইয়র্কের কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন ।
গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করে জানান, লিবার্টি রিনোভেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ আজাদ তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ নিয়ে তাদের কাজ করে দেননি। এই ব্যবসায়ী এবং তার প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করার উদ্দেশ্যেই তাদের এই সংবাদ সম্মেলন বলে তারা জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিন ভুক্তযোগী উপস্থিত ছিলেন।

নিজেদের অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ডা. খন্দকার মাসুদ রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসেফ বারী টুটুল ও ব্রঙ্কসের লোকমান হোসেন। এ ছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন সাপ্তাহিক ‘আজকাল’ সম্পাদক শাহ নেওয়াজ, ফাহাদ সোলায়মান, হারুন ভূইয়া, গিয়াস আহমেদ, ও রুহুল আমিন ভূইয়া। তারা মোহাম্মদ আজাদ সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকার আহŸান জানান। এছাড়াও মঞ্চে ছিলেন মহিউদ্দিন দেওয়ান, আহসান হাবিব ও র্যাফেল তালুকদার। জনাব শাহনেওয়াজ বলেন, আমি আমার অফিস সংস্কার করার জন্য আজাদকে মনোনীত করি। তিনি নানা অনিয়ম করলেও আমার কোন অভিযোগ নাই।

জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আজাদকে ব্যবসায়িক ও সামাজি ভাবে বয়কট করারও আহবান জানান হয়।
ভুক্তভোগী তিন অভিযোগকারী ডা. খন্দকার মাসুদ রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসেফ বারী টুটুল ও লোকমান হোসেন বলেন, মোহাম্মদ আজাদ ‘লিবার্টি রেনোভেশন’ প্রতিষ্ঠানের নামে বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিস সংস্কার করার কথা বলে বিভিন্ন ভাবে নানা অজুহাতে তাদেও কাছ থেকে অর্থ নিয়েছেন। কিন্ত শর্ত অনুযায়ী সংস্কার কাজ না করায় অভিযোগকারী তিনজনই অর্থনৈতিক ভাবে মারাত্মক ক্ষতির সন্মুখীন হয়েছেন।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসেফ বারী টুটুল জানান, ব্রঙ্কসে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও নিজের বাড়ির সংস্কার করার জন্য তিনি আজাদকে সর্বমোট ৯ লাখ ৩৫ হাজার ডলার দেন। কিন্ত চুক্তি অনুযায়ী তার কাজে অনেক অনিয়ম দেখা দেয়।
একইভাবে ডা. খন্দকার মাসুদ রহমানও তার বাড়ি সংস্কারের জন্য মোহাম্মদ আজাদকে কাজ দেন। কিন্তু কিছুটা কাজ করার পর তিনি কাজ বন্ধ করে দেন। তবে ডা মাসুদ কাজের জন্য আজাদকে কত পরিমান অর্থ দিয়েছেন তা উল্লেখ করেননি। ব্রঙ্কসের লোকমান হোসেন তার বাড়ি সংস্কার করার জন্য ২ লাখ ডলার দিলেও আজাদ কোন কাজই করেন বলে অভিযোগ করেন।
তিন জনই অভিযোগ করে বলেন,আজাদ চুক্তির নির্দ্ধারিত অর্থের চেয়ে বিভিন্ন অজুহাতে আরও বেশী অর্থ নিয়েছেন।


