সন্ধান২৪.কমঃ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা জানিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে মার্কিন এবং ন্যাটো জোটের সেনা প্রত্যাহার করা হলে তালেবান ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করবে।

এদিকে সপ্তাহান্তে আক্রমণ চলিয়ে আফগানিস্তানের আরো তিন জেলা দখল করে নিয়েছে তালেবান। মৃত বহু সেনা ও সাধারণ মানুষ।
কান্দাহার সহ নতুন করে আরও ১৩ জেলা দখলে নিয়েছে তালেবান যোদ্ধারা। মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির বিভিন্ন এলাকা দখলে নিচ্ছে তালেবান।

আলজাজিরার বরাতে জানা যায়, তালেবানের অভিযানের মুখে আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর অনেক সদস্য সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশি তাজিকিস্তানে পালিয়েছেন। রবিবার (৪ জুলাই) তাজিকিস্তানের স্টেট কমিটি ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি এক বিবৃতিতে জানায় স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনশরো বেশি আফগানসেনা বদখশান প্রদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তালেবানরা ঐ এলাকা দখল করে নেয়।
আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রতিরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২২৪ তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে। তালেবানরা রাজধানী কাবুল ও ৩৪টি প্রাদেশিক রাজধানী ছাড়াও ৩৭২টি জেলার মধ্যে ১১০টি দখল করেছে।
কাবুলের পূর্বদিকে দোয়াব জেলা থেকে সেনাবাহিনী চলে এসেছে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিলার সাইদুল্লাহ নুরিস্তানি। জেলাটি এখন তালেবানের দখলে।


বাদাখাশানের প্রাদেশিক পরিষদের ভাষ্যমতে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাদাখাশান প্রদেশের বেশিরভাগ এলাকা কোনও ধরনের সশস্ত্র লড়াই ছাড়াই দখলে নিয়েছে তালেবানরা। দেশটির সামরিক বাহিনীর দুর্বল মনোবলের কারণে তালেবান এই সাফল্য পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
মাত্র কয়েক দিন আগে মার্কিন এবং ন্যাটো জোটের সৈন্যরা কাবুলের কাছের আন্তর্জাতিক প্রধান সামরিক ঘাঁটি বাগরাম ছেড়ে যায় । এর মাত্র দু’দিন পর কান্দাহার প্রদেশের দক্ষিণের পানজওয়াই জেলার পতন ঘটেছে তালেবানের হাতে। বাগরাম ঘাঁটি থেকে গত ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানে তালেবান এবং এর মিত্র আল-কায়েদার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছিল মার্কিন ও ন্যাটো জোট।


