কথিত কাউন্সিল বা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে নয়, সরাসরি প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি সংবিধান মোতাবেক গঠন করা হবে। অসাংবিধানিকভাবে কেউ কাউন্সিলের নামে দলের ভাঙনের চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করবেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা। স্থানীয় সময় বুধবার (১ জুন) ভার্জিনিয়ার নিরালা রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভায় এ ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের বর্তমান সভাপতি সাদেক এম খান এবং সভা পরিচালনা করেন যুগ্মসাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন। সভায় বক্তরা বলেন, ঐক্যবদ্ধ মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগকে অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে কাউন্সিলের অজুজাত দেখিয়ে দলকে যেভাবে বিভক্তের পথে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তা থেকে বিরত থাকার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানকে আহবান জানিয়েছেন মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের নেতারা।
বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগকে সরাসরি দেখাশোনা করে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা। একমাত্র তার নির্দেশ এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি সংবিধান মোতাবেক গঠন করা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি শিব্বীর আহমেদ, সহ-সভাপতি জুয়েল বড়ুয়া, নুরুল আমিন নুরু, আনোয়ার হোসাইন, মজিবুর রহমান, আকতার হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনির পাটোয়ারী, দপ্তর সম্পাদক নারায়ন দেবনাথ, ক্রীড়া সম্পাদক আবুল আযাদ, সদস্য শেরিনা চৌধুরী, দেব শর্মা, হাসনাত সানি, আবু সরকার, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আবুল শিকদার ও সহ-সভাপতি সিরাজুল হক। এছাড়াও ফোনে সংযুক্ত ছিলেন সহ-সভাপতি জি আই রাসেল, জীবক বড়ুয়া ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আবদুল গফুর প্রমুখ।
মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, শুধু মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ নয়, আমরা বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেই কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি করার উদ্যোগ নিয়েছি। এ বিষয়টি ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবহিত করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন- ওয়াশিংটন মেট্রো আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে বেশির ভাগ সময় বাংলাদেশেই থেকেছেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন কোনো জাতীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন না বা আয়োজন করেন না। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের দুই শক্তিশালী প্রেসিডিয়াম সদস্য যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে অবস্থান করেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতারা হাজিরা দিলেও তিনি সেখানে আসেননি এবং ছিলেন না। ফেসবুকে কাউন্সিল বিরোধী এ ধরনের চিঠি পোস্ট করার এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগকে দোষারোপ করার অধিকার তার আছে। ওয়াশিংটন মেট্রো আওয়ামী লীগ অন্য কারো দ্বারা নয় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং অনুমোদিত। এখানে বিতর্কের কিছু নেই। দলের জন্য উপযুক্ত যে কোনো সময় একটি কাউন্সিল আহ্বান করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের রয়েছে।


