সন্ধান২৪.কমঃ গত ২৮ ডিসেম্বর শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএসএ ইন্ক নিউইয়র্কে জাকসন হাইটস্ জুইশ সেন্টার মিলনায়তনে উদযাপন করলো বিজয়ের ৫২ বছর। অনুষ্ঠানটির মুল আকর্ষণ ছিল “এসো বিজয়ের গল্প শুনি”।
একুশে পদক প্রাপ্ত লেখক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কউন্সিলম্যান ডা. নুরুন নবী ও বিজ্ঞানি ও সমাজ সেবক ডা. জিনাত নবী তাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন দুর্দশা ও যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতার গল্প শোনান শেখ রাসেল ফাউন্ডেশনের শিশুকিশোরদের। তারা মন্ত্রমুগ্ধের মতো ৭১এর গল্পগুলো শুনে এতোটাই আবেগপ্রবণ হয়ে উঠে যে শিশুরা সবাই অতিথিদেরকে ছুঁয়ে দেখে। অতিথিরা এমনভাবে তাদের গল্পগুলো উপস্থাপন করে, যেন তারা এই শিশুদেরকে ৭১এর রণাঙ্গনে নিয়ে যেতে পেরেছিল।

গল্পগুলো শিশুদের সাথে মনস্তাত্ত্বিক যোগসূত্র ঘটাতে ইংরেজিতে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠান শুরুতে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ডা. ফেরদৌস খন্দকার অভ্যর্থনা বক্তব্য ও সংগঠনের উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রম বর্ণনা করেন। এরপরে যথাক্রমে শনকা রেজা বাংলায়, মারথা পাস্কার গমেজ ইংরেজিতে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয় করিয়ে দেন।
ডা. জিনাত নবী যখন শরণার্থী শিবিরের দুর্দশা এবং করুন কাহিনীগুলো বর্ণনা করছিলেন তখন শিশুদের চোখও অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠে।

শিশুরা ডা. নুরুন নবী এবং ডা. জিনাত নবী কে ক্রেস্ট প্রদান করে। শিশুরা অতিথিদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন বাবুর কম্পোজিশন “হাজার বছরের সেরা বাঙালি” ও “জীবনের ডাক বা আমরা বাঙালি” গেয়ে শোনায়। এতে শিশুরা তাদের যথেষ্ট মুন্সিয়ানার পরিচয় দেয়।
এরপরে যথাক্রমে বিজয়ের গান পরিবেশনা করেন ডা. লতা সিকদার, ডা সুরাইয়া জাহান শিলা, ফয়েজ আহমেদ , কামরুন নাহার লুনা ও আল আমিন বাবু। যন্ত্র সঙ্গতে ছিলেন আল আমিন বাবু (কীবোর্ড ও লিড গিটার) ও নাসির মহামুদুল্লাহ (বেজ গিটার)।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে খুরশিদ আলম বাবলু শিশুদেরকে শুভেচ্ছা জানায়।
অনুষ্ঠান শেষে শিশুরা অতিথিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, আপ্যায়ন ও আলোকচিত্র গ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদন আল আমিন বাবু, সহযোগিতায় ছিলেন ফারজিন রাকিবা, নুর হোসেন জুয়েল, আব্দুল্লাহ মারুফ।


