Monday, March 9, 2026
  • Login
No Result
View All Result
Advertisement
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
No Result
View All Result
Home জীবনশৈলী

হঠাৎ হাত-পায়ে ব্যথা কি জটিল রোগের লক্ষণ?

May 13, 2022
in জীবনশৈলী
Reading Time: 2 mins read
0
0
0
SHARES
1
VIEWS
Share on Facebook

হাত-পায়ে হঠাৎ ব্যথা দেখা দেয়। আঘাত ছাড়াও অনেক সময় এই ব্যথা হতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিয়ে এই ব্যথা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষারীতিতে ‘অ্যাকিউট’ ও ’ক্রনিক’- দু’টো বহুল প্রচলিত শব্দ। অ্যাকিউট মানে স্বল্প মেয়াদ আর ক্রনিক মানে দীর্ঘমেয়াদের ব্যাপার। লিম্ব ইশকেমিয়া বা হাত পায়ের ধমনিতে রক্ত চলাচলে বিঘ্নসংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রেও এ রকম দুটো সময় সম্পর্কিত বিষয় রয়েছে।

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকিমিয়া এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে ধমনিতে ব্লকের ঘটনা ঘটে সহসা এবং এর বহিঃপ্রকাশ ও একেবারে নাটকীয়। অন্যদিকে ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়াতে এ ঘটনা দীর্ঘমেয়াদে ঘটে ও এর লক্ষণগুলো একটু একটু করে ধাপে ধাপে প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও ভাস্কুলার সার্জন ডা. আবুল হাসান মুহাম্মদ বাশার।

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণ

আঘাতের কারণে রক্তনালি ছিঁড়ে কেটে বা থেঁতলে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাগুলো বাদ দিলে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণগুলো মোটামুটি নিম্নরূপ-

হার্ট বা হৃৎপিণ্ড

আমরা সবাই জানি যে রক্ত তরল অবস্থায় রক্তনালির ভেতর দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে সঞ্চালিত হয়। রক্তনালি বা হৃৎপিণ্ডের ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াটা অস্বাভাবিক এবং বিপজ্জনক। বিভিন্ন কারণে হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের মধ্যে রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। জমাট বাঁধা রক্তের এ টুকরো রক্তস্রোতের সঙ্গে প্রবাহিত হয়ে মুহূর্তের মধ্যে শরীরের যে কোনো জায়গায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে এবং সেখানকার রক্ত সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। মস্তিষ্কে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে তাকে স্ট্রোক (Stroke) বলা হয়। হাত বা পায়ের ধমনি বন্ধ হলে ঘটনাটি পরিচিত হয় অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়া নামে। হৃৎপিণ্ডের ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার অনেক কারণ আছে।

রক্তনালি

মাঝে মাঝে রক্তনালি বা ধমনি নিজেই অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হয়তো ধমনির ভেতরের দেয়ালে আগে থেকেই কলেস্টেরলের আস্তরণ ছিল। এ আস্তরণ কোন কারণে ভেঙে গেলে তার ওপর রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। এক পর্যায়ে এ জমাট রক্ত ধমনির রক্ত চলাচলের পুরো পথটাকেই বন্ধ করে দেয়। আর পুরো ঘটনাটা ঘটে অতি অল্প সময়ের মধ্যে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগীরা আগে থেকে ক্রনিক লিম্ব ইশকিমিয়ার লক্ষণাদি (যেমন হাঁটতে গেলে পায়ে ব্যথা) প্রকাশ করেন যদিও সেই সময় তারা তা টের পান না বা গুরুত্ব দেন না। ‘অ্যাকিউট অন ক্রনিক লিম্ব ইশকিমিয়া’র মূল দৃষ্টান্ত হলেন এসব রোগী।

কখনও ধমনির ফুলে যাওয়া অংশ বা অ্যানিউরিজম থেকে জমাট রক্ত ছুটে গিয়েও পরবর্তী অংশের ধমনি বন্ধ করে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার সৃষ্টি করতে পারে।

সারভাইকাল রিব

হাতের অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার ক্ষেত্রে সারভাইকাল রিবের কথা মাথায় না রাখলেই নয়। সারভাইকাল রিব ঘাড়ের নিচের দিকের কশেরুকা থেকে জন্ম নেয়া একটি বাড়তি হাড় যা কখনও কখনও হাতে রক্ত সরবরাহকারী সাবক্লাভিয়ান ধমনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। এ চাপের ফলে ধমনির ভেতরের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে করে অনেক সময় ধমনির আঘাতপ্রাপ্ত অংশ ফুলে যায় (অ্যানিউরিজম) ও এর ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। এ জমাট রক্ত ছুটে গিয়ে পরবর্তী অংশের ধমনি বন্ধ করে দিয়ে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার সৃষ্টি করে। রোগীরা ঠাণ্ডা হাত, তীব্র ব্যথা ও কালো/নীল আঙ্গুল নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন। এসব ক্ষেত্রে রক্তনালির অপারেশনের সঙ্গে সঙ্গে ঘাড়ের বাড়তি হাড় কেটে ফেলাও চিকিৎসার অংশ। সারভাইকাল রিব ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের বেশি হয়।

রক্ত

কখনও কখনও রক্তও অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণ হয়ে ওঠে। রক্তের উপাদানগত সমস্যা বা কোনো কারণে সাময়িকভাবে রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেলে (যেমন পানিশূন্যতা) রক্ত ধমনির ভেতরেই জমাট বেঁধে যায় ও রক্ত চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয়।

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার লক্ষণ

  • হঠাৎ করে হাত বা পা ঠাণ্ডা হয়ে গিয়ে তীব্র ব্যথা শুরু হয়।
  • হাত, পা দ্রুত ফ্যাকাসে ও নীল হয়ে যেতে শুরু করে।
  • হাত-পায়ে বোধ শক্তি কমে যেতে থাকে।
  • নাড়াচাড়ার ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে।
  • আক্রান্ত অংশে নাড়ির স্পন্দন টের পাওয়া যায় না।

কী ঘটে

পিভিডি বা ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়ার সঙ্গে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার মূল তফাৎটা হল সময়ের। ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়াতে যে ঘটনা অনেক দিন, মাস, বছর ধরে একটু একটু করে ঘটতে থাকে, অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার ক্ষেত্রে সে ঘটনাই কয়েক মিনিট বা ঘণ্টার মধ্যে ঘটে যায়। অর্থাৎ রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় একেবারে হঠাৎ করে। তাই অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার বহিঃপ্রকাশও অত্যন্ত নাটকীয়। ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়াতে একটু একটু করে রক্ত চলাচল কমতে থাকায় শরীর বিকল্প রাস্তা বা কোলেটারাল (Collateral) তৈরি করে নেয়ার সময় পায়। অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়াতে বিকল্প পথ তৈরির সময় পাওয়া যায় না বলে আক্রান্ত অংশ হঠাৎ করে প্রায় পুরোপুরি রক্ত তথা অক্সিজেন ও পুষ্টি বঞ্চিত হয়ে পড়ে। দ্রুত রক্ত সরবরাহ ফিরিয়ে আনা না গেলে এর পরিণতি অঙ্গহানী।

করণীয়

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়া বুঝতে পারাটাই আসল কাজ। রোগীর লক্ষণ দেখে সমস্যার কথাটা মাথায় এলেই রক্ষা। দেখছি, যাচ্ছি, যাব করতে থাকলে বিপদ। রোগীর দায়িত্ব সময় নষ্ট না করে নিকটস্থ হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে যাওয়া। চিকিৎসকের দায়িত্ব রোগ নির্ণয় বা আন্দাজ করে দ্রুত রক্তনালি বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো। এ পাঠানো ব্যাপারটা নিয়ে আমাদের দেশে বিরাট সমস্যা দেখা যায়। প্রথমত রোগ নির্ণয়ে অনেকে ব্যর্থ হন, আবার রোগ নির্ণয় হলেও পাঠাতে বিলম্ব হয়। পথের দূরত্ব যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা এক্ষেত্রে দায়ী। কারণ যাই হোক, চিকিৎসার এ বিলম্বের মূল্য অনেক বেশি। যারা অর্থের মূল্য বোঝেন, তারা অর্থ উপার্জনে সময়ের দাম বুঝাতে বলেন- ‘টাইম ইজ মানি’। রক্তনালির চিকিৎসক হিসেবে আমরা অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ায় সময়ের দাম বুঝনোর জন্য বলি- ‘টাইম ইজ লিম্ব’।

সময় কম- কত কম

ধমনি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও হাত বা পা কতক্ষণ টিকে থাকতে পারে- এ প্রশ্নের উত্তর এক কথায় দেয়া সম্ভব নয়। ব্যাপারটা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। কোন ধমনিটি বন্ধ হয়েছে, হাত বা পায়ের রক্ত সরবরাহে তার ভূমিকা কতখানি, বিকল্প কোন ধমনি আছে কি না- এসবের ওপর নির্ভর করে সময়ের দৈর্ঘ্য। তবে এক্ষেত্রে ‘গোল্ডেন আওয়ার’ (Golden Hour) বলে একটা ধারণা প্রচলিত আছে। এ সময়ের ভেতরে ব্যবস্থা নেয়া গেলে সাধারণত স্থায়ী ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়। সময়টা ৬ ঘণ্টা। পায়ের ক্ষেত্রে হাঁটুর পেছনের পপলিটিয়াল ধমনি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিণতি সবচেয়ে ভয়াবহ। সময়মতো ব্যবস্থা না নেয়া গেলে এক্ষেত্রে পা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আশি শতাংশেরও বেশি।

চিকিৎসা

বন্ধ ধমনিকে চালু করাই অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা। কয়েকটি পদ্ধতিতে বন্ধ ধমনি চালু করা যায়-

অপারেশন

সাধারণত জমাট রক্ত দিয়ে বন্ধ হয় বলে এম্বোলেকটমি (Embolectomy) নামের এক ধরনের অপারেশনের মাধ্যমে ধমনির ভেতর থেকে জমাট রক্ত বের করে এনে রক্ত সরবরাহ চালু করা যায়। এ কাজে ‘ফগার্টি এম্বোলেকটমি ক্যাথেটার’ (Fogarty Embolectomy Catheter) নামে সরু এক ধরনের নল ব্যবহার করা হয়।

থ্রম্বোলাইসিস

এ পদ্ধতিতে অপারেশন ছাড়াই স্যালাইনের মাধ্যমে এক বিশেষ ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করে ধমনির ভেতরের জমাট রক্ত তরলায়িত করে রক্তপ্রবাহ চালু করা হয়। থ্রম্বোলাইসিসে ব্যবহৃত ওষুধগুলো আমাদের দেশে এখনও সহজলভ্য নয়, দামও অনেক বেশি।

ক্যাথেটার ডিরেক্টেড থ্রম্বোলাইসিস

এটাও এক ধরনের থ্রম্বোলাইসিস। এখানেও উপরে বর্ণিত থ্রম্বোলাইসিসে ব্যবহৃত ওষুধই ব্যবহার করা হয়। পার্থক্য হল এক্ষেত্রে ব্যবহার্য ওষুধকে স্যালাইনের মাধ্যমে প্রয়োগ না করে ক্যাথেটারের (সরু নল) মাধ্যমে জমাট রক্তপিণ্ডের ভেতরে সরাসরি প্রয়োগ করা হয়। এতে করে জমাট রক্ত দ্রুত ও অনেক ভালোভাবে তরলায়িত হয়। জমাট রক্ত পরিষ্কার করে রক্তনালি চালু করার এটাই সর্বাধুনিক পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে রোগীকে একাধিকবার ক্যাথল্যাবে নিয়ে অ্যানজিওগ্রামের মাধ্যমে চিকিৎসার ফলাফল দেখতে হয়। ফলে সার্বিক চিকিৎসা ব্যয় অনেক বেড়ে যায়।

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার চিকিৎসায় আমাদের দেশে অপারেশনের চল বেশি। এর মূল কারণ তুলনামূলকভাবে কম খরচ। এদেশে থ্রম্বোলাইসিস বা ক্যাথেটার ডিরেকেটড থ্রম্বোলাইসিস জনপ্রিয় না হওয়ার মূল কারণও ওই খরচ। সরকারি হাসপাতালে এ আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির ব্যবস্থা করা গেলে ভবিষ্যতে এর প্রসার সম্ভব।

Related Posts

জীবনশৈলী

মায়ের অপুষ্টির কারণেই শিশুর ডায়াবিটিস ও হার্টের রোগের ঝুঁকি বাড়ে

January 8, 2026
3
জীবনশৈলী

ভয়ংকর খাদ্যদূষণ : প্রতি বছর বাংলাদেশে ৩ কোটি শিশু আক্রান্ত

December 8, 2025
6
No Result
View All Result

Recent Posts

  • নারীরা অবলা-ই থেকে গেল ‘মানুষ’ হলো না ! প্রসঙ্গ নারী দিবস : সনজীবন কুমার
  • ১২ ঘণ্টায় ৯০০ মিসাইল হামলা! যুদ্ধে তছনছ ইরান, শিশুসহ মৃত্যু ১,০০০-এরও বেশি 
  • খামেনেইয়ের মৃত্যুতে পাকিস্তানে চরমে শিয়া বিক্ষোভ! মার্কিন দূতাবাসে সতর্কতা
  • ট্রাম্পের ক্ষমতা খর্বের প্রস্তাব আটকে গেল মার্কিন সেনেটে
  • তেহরানের বুকে মুহুর্মুহু আক্রমণ ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র! বাঙ্কার লক্ষ্য করে ৫০টি যুদ্ধবিমানের হামলা

Recent Comments

    Sanjibon Sarker
    Editor in Chief/ President

     

    Weekly Sandhan Inc.
    Address: 70-52 Broadway 1A, Jackson Heights, NY 11372.
    Contact: +1 646 897 9262
    Email: weeklysandhan@gmail.com,
    www.sandhan24.com

    Bimal Sarkar
    Executive Editor
    Contact: +1 512-576-2944

    Quick Link

    • সম্পাদক
    • গ্যালারি

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    No Result
    View All Result
    • Home
    • Login

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In
    This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.
    Go to mobile version