সন্ধান২৪.কমঃ যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠালে মানি এক্সচেঞ্জকে দিতে হবে তথ্য। দুই হাজার ডলারের বেশি হলে রিপোর্ট করতে হয়। আর তিন হাজার ডলার পর্যন্ত পাঠানো হলে নথিপত্র দিতে হয়।
কারণ অর্থ পাঠানোর জন্য একটি লিমিট রয়েছে, তা পেরিয়ে গেলে সেটি রিপোর্ট করতে হয়। তবে অনেকেই একসঙ্গে বেশি অর্থ না পাঠিয়ে কয়েক দফায় পাঠান। এ ক্ষেত্রে রিপোর্ট করার প্রয়োজন পড়ে না। তবে আয়ের সঙ্গে ব্যয় ও অর্থ পাঠানোর মধ্যে অবশ্যই সমন্বয় রেখেই দেশে ডলার পাঠানো উত্তম বলে সিপিএ‘রা পরামর্শ দেন।
সূত্র জানায়,বাংলাদেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে ব্যাপক কড়াকড়ি রয়েছে। এর কারণ হিসেবে সুত্র বলছে, এখান থেকে কেউ অর্থ পাঠিয়ে সেটি সন্ত্রাসী কোনো কর্মকান্ডের জন্য দিচ্ছেন কি না, সেটি নিয়মিত নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। এ জন্য মানি এক্সচেঞ্জ কোম্পানিগুলো গভীরভাবে মনিটরিং করে, বিদেশ থেকে যারা বিভিন্ন দেশে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, তা আসলে কেন যাচ্ছে এবং কার কাছে যাচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ কারণে দেশের মানুষের যার কাছে অর্থ পাঠানো হচ্ছে,তিনি যখন অর্থ নিচ্ছেন, তখন তাকে আইডি দেখিয়ে নিতে হয়।
সূত্র আরো জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে মানি এক্সচেঞ্জগুলোর মাধ্যমে কে কোন দেশে, কার কাছে, কত অর্থ পাঠাচ্ছেন এবং যে অর্থ পাঠানো হয়, সেই অর্থ কোথায় যাচ্ছে, এটি মনিটর করার যথেষ্ট উপায় রয়েছে। কারো যদি কাগজপত্র না থাকে, সে ক্ষেত্রে তার নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর নেওয়া হয় ও অর্থ পাঠানো হয়।


