দলে বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা রয়েছেন, যাদের এই সময়ে নীতিনির্ধারণে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা সহজতর হবে। একইসঙ্গে সিনিয়রদের সম্মানজনক বিদায় জানানোর প্রক্রিয়াটিও সামনের দিনে সহজ হবে বলে মনে করছেন কোনও কোনও সদস্য।
জানতে চাইলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, ‘আমি তো মনে করি স্থায়ী কমিটিতে যে পদগুলো শূন্য অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো পূরণ হতে পারে। পুরো কমিটি বৈঠক করবে, ভরপুর আলোচনা হবে।
বিএনপির দায়িত্বশীল একটি সূত্রের ভাষ্য—স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত করার মতো সিনিয়র নেতাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে কেন্দ্র করে আলোচনা আছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন—আবদুল্লাহ আল নোমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মো. শাজাহান, খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও বর্তমান সংসদ সদস্য জিএম সিরাজ। তবে এই উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে কারা এগিয়ে আছেন, এ বিষয়ে স্থায়ী কমিটি ও দায়িত্বশীল সূত্রগুলোর একাধিক মত পাওয়া গেছে।
জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘স্থায়ী কমিটির সদস্য নিয়োগের বিষয়ে গঠনতান্ত্রিকভাবে চেয়ারপারসনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সবসময়। তিনিই সদস্য মনোনীত করেন। বর্তমান কমিটি গঠিত হওয়ার পর আমাদের অনেক সদস্য ইন্তেকাল করেছেন। সে কারণে দুটি পদ পূরণ করা হয়েছে ইতোমধ্যে। তবে কিছু বাকি আছে। এ বিষয়টি নিয়ে আমাদের চেয়ারপারসনকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রয়োজন মনে করলে মতামত দেবেন। আর স্থায়ী কমিটিতে এখনও এ বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।’



