সন্ধান২৪.কমঃ খাদ্যের জন্য আফগানরা তাদের শিশুদের বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে বিক্রি করছেন শরীরের নানা অঙ্গ। আফগানিস্তানের এমন ভয়াবহ চিত্রের কথা তুলে ধরলো জাতিসংঘের ডব্লিউএফপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান বহু বছর ধরে সংঘাত ছাড়াও খরা, মহামারি এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ( ডব্লিউএফপি)-এর প্রধান দেশটিতে মানবিক সংকট নিয়ে উদ্বিগ্নের কথা ফের জানালেন। ডব্লিউএফপি-এর প্রধান প্রধান জানিয়েছেন, দেশটির অর্ধেক মানুষ অনাহারে ভুগছে। এই সংকটময় মুহুর্তে দেশটিতে ত্রাণের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে সহায়তার আহ্বান জানান তিনি।
দেশটির দুই কোটি ৪০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তায় ভুগছে। এই শীতে দেশটির অর্ধেক জনসংখ্যার বেশি মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়বে। এছাড়া চলতি বছরে ৯৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যেতে পারে।
দেশটির দুই কোটি ৪০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তায় ভুগছে। এই শীতে দেশটির অর্ধেক জনসংখ্যার বেশি মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়বে। এছাড়া চলতি বছরে ৯৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যেতে পারে।
ডয়েচে ভেলেকে ডেভিড বেসলি বলেন, আফগানিস্তান ইতোমধ্যেই বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র একটি দেশ। এর মধ্যে ২০ বছর ধরে তালেবানের সঙ্গে সংঘর্ষ। তিনি আরও বলেন, এখন আমরা যা সম্মুখীন করছি তা বিপর্যয়কর। দেশটির ৪ কোটি মানুষের মধ্যে দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষ অনাহারের দ্বারপ্রান্তে।
ডয়েচে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ডেভিড বেসলি আফগানিস্তানে তার দেখা এক নারীর ঘটনার কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এক নারী তার মেয়েকে অন্য পরিবারের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন এই আশায় যে, তারা তাকে ভাল খাওয়াতে পারবে।
গত বছরের অগাস্টে প্রায় ২০ বছর পর ফের আফগানিস্তান দখল করে দেয় তালেবান। এরপর দেশটিতে বেদেশি সহায়তা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।