সন্ধান২৪.কম ডেস্ক : বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। গত ৫ অগস্ট দিল্লিতে একটি ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। তা নিয়ে নতুন করে টানাপড়েন শুরু হয় দিল্লি এবং ঢাকার।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিক্সের আউটরিচ সেশনে আমন্ত্রণ পেয়েও দিল্লিতে যাননি। এমনকি কোনও প্রতিনিধিও পাঠাননি।
তারেক রহমান কবে দিল্লিতে যাবেন, সে বিষয়ে এখনও কিছু স্থির করেনি বাংলাদেশ। এরই মধ্যে মঙ্গলবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বেরিয়ে জানালেন, তারেকের ভারত সফর নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো নেই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে যে দিল্লি আগে থেকেই আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছে, তা-ও মনে করিয়ে দেন তিনি।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুনের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে দু’দেশেই। সপ্তাহ দুয়েক আগেই তিনি দাবি করেন, ভারতের প্রসঙ্গে কোনও ‘মুগ্ধতা’ চায় না ঢাকা। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে যেমন ভাল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় থাকা দরকার, তেমনটাই চায় বাংলাদেশ। নিজের দেশের সাংবাদিকদের প্রশ্নে বিরক্ত হয়ে বলেছিলেন, “খালি ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া করলে নিজের দেশের কথা কখন ভাববেন।”
মঙ্গলবার সেই ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেই হুমায়ুনের সঙ্গে দেখা করেন দীনেশ। সৌজন্য সাক্ষাৎ সেরে সাংবাদিকদেরও মুখোমুখি হন তাঁরা। সেখানে তারেকের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নও প্রশ্ন করা হয় ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে। ‘প্রথম আলো’ অনুযায়ী দীনেশ জানান, ভারত সফরের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেককে আগে থেকেই আমন্ত্রণ জানানো আছে। এই সফর নিয়ে তাড়াহুড়োর কোনও দরকার নেই বলেই মনে করেন দীনেশ। “যখন সময় হবে, নিশ্চয়ই হবে। সবকিছুই ইতিবাচক আছে,” বলেন ভারতীয় হাই কমিশনার। আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
