আমেরিকায় গ্রিন কার্ডের নিয়মে বড় ধাক্কা: চাকরি থাকলেও বাতিল হতে পারে আবেদন

সন্ধান২৪.কম ডেস্ক : আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন দেখা জন্য ব্যাপক পরিবর্তনের সংবাদ জারী করলো ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS)। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়ায় আর্থিক সচ্ছলতা ও সার্বিক পটভূমি যাচাইয়ের নিয়মে কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। এর ফলে ২০২২ সালের তুলনামূলক শিথিল নিয়মটি বাতিল হয়ে আরও কঠোর পর্যালোচনার পথ তৈরি হলো।

এই সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে বেশি সতর্ক হতে হচ্ছে আমেরিকায় কর্মরত হাজার হাজার বাংলাদেশী পেশাজীবীদের, যাঁরা মূলত কর্মসংস্থানভিত্তিক ক্যাটাগরিতে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করছেন। যদিও শরণার্থী বা বিশেষ কিছু সুরক্ষাপ্রাপ্ত ক্যাটাগরি এই নিয়মের বাইরে থাকছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি এড়াতে আবেদনকারীদের নিজেদের ব্যাঙ্ক ব্যালান্স, সম্পত্তির হিসেব, কাজের অভিজ্ঞতা এবং সরকারি সহায়তার সমস্ত নথি অত্যন্ত নিখুঁত ও গুছিয়ে রাখতে হবে। আজকাল ওয়েবডেস্ক।

বিশেষ করে আবেদনকারী ভবিষ্যতে মার্কিন সরকারের ওপর নির্ভরশীল বা ‘পাবলিক চার্জ’ হয়ে উঠবেন কি না, তা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অভিবাসন আধিকারিকদের হাতে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়েছে।

এই নতুন নিয়মের আওতায় কেবল নির্দিষ্ট অঙ্কের আয় বা চাকরি থাকলেই নিশ্চিন্ত হওয়ার উপায় নেই। অভিবাসন কর্মকর্তারা এখন আবেদনকারীর বয়স, স্বাস্থ্য, পারিবারিক অবস্থা, আর্থিক সম্পদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পেশাগত দক্ষতার মতো সামগ্রিক বিষয়গুলো খুঁটিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নেওয়া আবাসন, খাদ্য বা পড়াশোনার জন্য সরকারি সহায়তার মতো বিষয়গুলোকেও তদন্তের পরিসরে আনা হতে পারে। তবে কোনও সরকারি সুবিধা নিলেই যে আবেদন সরাসরি খারিজ হয়ে যাবে এমন নয়, বরং গোটা পরিস্থিতি বিচার করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এমনকি ১৮ তারিখ থেকে ‘ফর্ম আই-৪৮৫’ (Form I-485)-এর নতুন সংস্করণ ছাড়া পুরোনো কোনও আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

Exit mobile version