সন্ধান২৪.কম: পাকিস্তানে বেলুচিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৫২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অর্ধ শতাধিক মানুষ। শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় একটি মসজিদের কাছে এ বিস্ফোরণ ঘটে।
এক কর্মকর্তা জানান, আল ফালাহ রোডে মদিনা মসজিদের কাছে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবীর মিছিলে লোকজন জড়ো হওয়ার সময় বিস্ফোরণ ঘটে।
এছাড়া পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ঈদে মিলাদুন্নবীর মিছিলে ভয়াবহ বোমা হামলার পর খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের পেশোয়ারে একটি মসজিদে বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে মসজিদটির ছাদ ধসে পড়ে ৫ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।

জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আব্দুল রাজ্জাক ডনকে হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। নিহতদের মধ্যে একজন পুলিশের কর্মকর্তা আছেন বলে জানিয়েছেন সিটি স্টেশন হাউজ অফিসার মাহমুদ জাভেদ লেহরি।
এর আগে নিহতের সংখ্যা ৩০ জন বলে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনকে তথ্য দেন শহীদ নওয়াব ঘৌস বাকস রাইসানি মেমোরিয়াল হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক সাঈদ মিরআনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে আত্মঘাতী হামলা থেকে এ বিস্ফোরণ হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি।
আলফালাহ রোডে মদিনা মসজিদের কাছে ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী উপলক্ষে লোকেরা জড়ো হলে সেইসময় বিস্ফোরণ ঘটে। এসএইচও লেহরি বলেছেন, বিস্ফোরণটি ছিল ‘আত্মঘাতী’। বিস্ফোরণের পর প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে বেশ কয়েকটি রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখা গেছে।

পাকিস্তানে আরেক বোমা হামলা, নিহত ৫। পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, শুক্রবার পেশোয়ারের হাঙ্গু মসজিদে জুম্মার নামাজের সময় আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়। এতে এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৪ জন নিহত ও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ঈদে মিলাদুন্নবীর মিছিলে ভয়াবহ বোমা হামলার পর খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের পেশোয়ারে একটি মসজিদে বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে মসজিদটির ছাদ ধসে পড়ে ৫ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।
আলজাজিরা জানায়, শুক্রবার পেশোয়ারে হাঙ্গু নামের একটি মসজিদে জুম্মার নামাজের সময় আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়। যেখানে হামলা চালানো হয়েছে সেখান থেকে দোওবা পুলিশ স্টেশন খুবই কাছে অবস্থিত।
হাঙ্গু বিভাগীয় পুলিশ কর্মকর্তা নিসার আহমেদ জানিয়েছেন, হামলায় মসজিদের ছাদ ধসে পড়ার পর ৩০-৪০ জন আটকে যান। এখন তাদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, হাঙ্গু মসজিদে হামলার সঙ্গে দুই আত্মঘাতী হামলাকারী জড়িত ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন পুলিশ স্টেশনের সামনে বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। অপরজন মসজিদের ভেতর গিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেন।


