সন্ধান২৪.কমঃ কূটনীতিক মহম্মদ সানিউল কাদের কলকাতার ডেপুটি হাইকমিশনে প্রথম সচিব। এক ভারতীয় মহিলার সঙ্গে তাঁর আপত্তিকর ভিডিয়ো চ্যাট ফাঁস হয়ে যায়। ফলে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশে ফেরৎ আনে।
এক ভারতীয় মহিলার সঙ্গে মোবাইলে অশালীন অবস্থায় চ্যাটিংয়ের অভিযোগে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের এক কূটনীতিককে তড়িঘড়ি দেশে ফেরাল বাংলাদেশ। মহম্মদ সানিউল কাদের নামে ওই কূটনীতিক কলকাতাস্থিত ডেপুটি হাইকমিশনে প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) পদে কর্মরত ছিলেন। এক ভারতীয় মহিলা এবং ওই কূটনীতিকের নগ্ন অবস্থার একটি ভিডিয়ো চ্যাট ফাঁস হয়ে যায়।
এই সংক্রান্ত দু’টি ভিডিয়ো প্রকাশ্য়ে এসেছে বলে অভিযোগ। ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে তাঁরা দু’জন নগ্ন অবস্থায় রয়েছেন এবং বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপেও লিপ্ত। ভিডিয়ো ফাঁস হওয়ার পরেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ২৬ জানুয়ারি পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে দেসে ফিরে যান সানিয়ুল। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
মহম্মদ সানিউল কাদের নামে ওই কূটনীতিক কলকাতাস্থিত ডেপুটি হাইকমিশনে প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) পদে কর্মরত ছিলেন। এক ভারতীয় মহিলার সঙ্গে মোবাইলে অশালীন অবস্থায় চ্যাটিংয়ের অভিযোগে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের এক কূটনীতিককে তড়িঘড়ি দেশে ফেরাল বাংলাদেশ। মহম্মদ সানিউল কাদের নামে ওই কূটনীতিক কলকাতাস্থিত ডেপুটি হাইকমিশনে প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) পদে কর্মরত ছিলেন। এক ভারতীয় মহিলা এবং ওই কূটনীতিকের নগ্ন অবস্থার একটি ভিডিয়ো চ্যাট ফাঁস হয়ে যায়। তারপরই বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক ওই পদক্ষেপ করে।
বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সানিয়ুল ওই ভিডিয়ো চ্যাটে যুক্ত থাকায় তাঁকে দেশে (বাংলাদেশ) পাঠােেনা হয়েছে। তৌফিক দাবি করেছেন নেটমাধ্যমে বিষয়টি ফাঁস হয়েছে। যদিও আনন্দবাজার অনলাইন ওই ভিডিয়ো যাচাই করেনি।
ভারতে কর্মরত কোনও বাংলাদেশি কূটনীতিকের এহেন কেলেঙ্কারিতে জড়ানোর ঘটনা এই প্রথম। এর আগে এভাবে কারও যৌন কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়নি বলেই দূতাবাস সূত্রে খবর। ফলে এ নিয়ে বেশ শোরগোল তৈরি হয়েছে। মহম্মদ সানিউলের দোষ প্রমাণিত হলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে বলে জোর গুঞ্জন।
