সন্ধান২৪.কমঃ টর্নেডোর আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে অন্তত ২৩ জনের প্রাণ গেছে। টর্নেডোয় বিধ্বস্ত অনেক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আরো অনেকে আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে এ তাণ্ডব চালিয়েছে টর্নেডো। খবর বিবিসির।

টর্নেডোর আঘাতে গাছ ও বিদ্যুতের লাইন ভেঙে গেছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবর পাওয়া গেছে। রাজ্যের বেশ কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া গেছে। মিসিসিপি ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছে। দুর্ভাগ্যবশন এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। মিসিসিপির গভর্নর টেট রিভস টুইটারে জানিয়েছেন, অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করে তিনি আরো বলেন, আবহাওয়ার প্রতিবেদনগুলো দেখুন এবং পুরো রাত সতর্ক থাকুন। ওকলাহোমা ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেটেরোলজি অধ্যাপক স্যাম এমারসন বলেছেন, এটি অত্যন্ত উচ্চ মাত্রার টর্নেডো ছিল। যা ধ্বংসাবশেষ মাটি থেকে ৩০ হাজার ফুট ওপরে পর্যন্ত তুলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ব্র্যান্ডি শোয়াহ সিএনএনকে বলেছেন, আমি কখনো এমন টর্নেডো দেখিনি… এটা খুব ছোট শহর এবং শহরটি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে।
কর্নেল নাইট নামে অপর এক বাসিন্দা মার্কিন বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, স্ত্রী এবং তিন বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে রোলিং ফর্কের এক আত্মীয়ের বাড়িতে ছিলেন তিনি। টর্নেডো আঘাত হানার ঠিক আগেও শহরটি বেশ শান্ত ছিল। টর্নেডো আঘাত হানার মুহূর্তের পরিস্থিতি বর্ণনায় তিনি বলেন, আকাশ একেবারে অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল। ওই সময় প্রতিটি ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ ঘটে।
তিনি বলেন, টর্নেডো তার এক স্বজনের বাড়িতে আঘাত হেনেছে। এতে ওই বাড়ির দেয়াল ধসে ভেতরে বেশ কয়েকজন আটকা পড়েছেন।
মিসিসিপির গভর্নর টেট রিভস টুইটারে বলেছেন, অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করছে।
এদিকে দেশটির আরো কয়েকটি দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য শক্তিশালী ঝড়ের আশঙ্কায় প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা গেছে।