যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ‘ভয়ংকর খারাপের খারাপ ’ ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ

সন্ধান২৪.কমঃ যুক্তরাষ্ট্রে ভয়ঙ্কর ‘খারাপের খারাপ’ তকমা পাওয়া ১০ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ! এ খেতাব ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিএইচএস এর।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ করেছে দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি-ছিনতাই এবং হামলার মতো নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

ডিএইচএসের আওতাধীন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গত এক বছরে ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।

এদের মধ্যে ৫৬ হাজার জনই দণ্ডপ্রাপ্ত গুরুতর অপরাধী। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে থাকা ১০ বাংলাদেশিকে ‘খারাপের চেয়েও খারাপ’ অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।

অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক অভিযান চলছে। এমন অভিযানে আটক বাংলাদেশিদের মধ্যে ১০ জনকে ‘খারাপের খারাপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে ডিএসইচএস। তাদের ওয়েবসাইট dhs.govতে ১০ বাংলাদেশির ছবি ও পরিচয় দিয়ে কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিস্তারিত নেই তাতে। চুরির অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, এবং তাকেও খারাপের খারাপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ডিএইচএসের অধীনে থাকা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট -আইস গত এক বছরে প্রায় ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে, যার মধ্যে ৫৬ হাজার জন দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী। এই বিশাল তালিকা অপরাধ বিবেচনায় শীর্যপর্যায়ে থাকা অন্যান্য ব্যক্তির সঙ্গে আছে ১০ বাংলাদেশি। তাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মাদক পাচার এবং সশস্ত্র হামলার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

কানসাসের ফোর্ট স্কট থেকে আটক হওয়া কাজী আবু সাঈদের বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ককে অনৈতিক কাজে ব্যবহার ও অবৈধ জুয়া পরিচালনার অভিযোগ। অন্যদিকে, যৌন সহিংসতার মতো জঘন্য অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছেন নিউইয়র্কের মোহাম্মদ আহমেদ ও কুইন্সের এমডি হোসেন।

মাদকের মরণনেশায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন ভার্জিনিয়ার মাহতাবউদ্দিন আহমেদ ও টেক্সাসের নেওয়াজ খান। মাহতাবউদ্দিনের বিরুদ্ধে গাঁজা ও হ্যালুসিনোজেন মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। অস্ত্র ও সিন্থেটিক মাদকসহ ভার্জিনিয়ার মানাসাস থেকে ধরা পড়েছেন ইশতিয়াক রাফি।

তালিকায় বাদ পড়েনি প্রতারণা ও চুরির ঘটনাও। ফ্লোরিডায় চুরির অভিযোগে শাহরিয়ার আবির, মিশিগানে ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতিতে আলমগীর চৌধুরী, অ্যারিজোনায় প্রতারণার দায়ে কনক পারভেজ এবং নর্থ ক্যারোলিনায় গোপনে অস্ত্র বহন ও চুরির দায়ে শাহেদ হাসান গ্রেপ্তার হয়েছেন।

বর্তমানে এই ১০ বাংলাদেশি মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন। অভিবাসন আইন এবং অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ডিএইচএস।

 

Exit mobile version