সন্ধান২৪.কম : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ডননদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে এ ঘটনায় চিত্র ধারণ করতে গেলে উত্তেজিত লোকজন সংবাদকর্মী কাউছার হোসেনের ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় তিনি মারধরের শিকার হন। এ ঘটনায় অজ্ঞাত ৩০ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
জানা যায়. বিজয় দিবস উপলক্ষে ডোননদী দিগন্ত ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। ডোননদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়। রোববার বিকালে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় নোয়াগাঁও সমাজকল্যাণ ক্রীড়া সংঘ ও ডোননদী ক্রীড়া সংঘ অংশগ্রহণ করে।
খেলা চলার একপর্যায়ে পরিচালনাকারীদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে দুপক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
পরে ডোননদী দিগন্ত ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি পক্ষ লাঠিসোটা নিয়ে নোয়াগাঁও ক্রীড়া সংঘের সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে দুই গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
নোয়াগাঁও সমাজকল্যাণ ক্রীড়া সংঘের সভাপতি ও নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ জানান, খেলায় তারা একটি কর্নার ও বিপক্ষ দলের অফসাইট হয় কিন্তু রেফারি তা দেননি। এ নিয়ে মাঠের বাইরে দর্শকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তার দলের খেলোয়াড়রা আবেদন করেও ব্যর্থ হন।
এর মধ্যেই টুর্নামেন্ট কমিটির লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে তার খেলোয়াড় ও গ্রামবাসীর ওপর হামলা করে। এতে তার এলাকার ১১ জন আহত হন।
