চিত্রনায়ক অনন্ত জলিলের ছবিতে কাজ করার জন্য হিরো আলমকে অগ্রিম ৫০ হাজার টাকা সাইনিং মানিও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তাকে সেই সিনেমা থেকে বাদ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অনন্ত। ব্বাদ দেওয়ার একটাও ব্যখ্যাও দিয়েছেন অনন্ত।
ভিডিও বার্তায় অনন্ত জলিল বলেন, আমি কেন হিরো আলমকে ছবি থেকে বাদ দিলাম। আপনার দেখেছেন, আমি হিরো আলম ও জায়েদ খানের সঙ্গে মিটমাট করে দিই। তাদেরকে আমি সোনারগাঁতে নিয়ে লাঞ্চ করাই। তারা আমাকে কমিটমেন্ট করে, এই বিষয়ে আমরা আর কথা বলব না। যেহেতু আপনি এটা মীমাংসা করে দিচ্ছেন।
হিরো আলমকে কেন সিনেমা থেকে বাদ দেয়া হলো- তার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আমি সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখলাম হিরো আলম ও জায়েদ খানের কথোপকথন। জায়েদ বলেছিলেন ওই যে ওই ছেলেটা মিউজিক ভিডিও করে সে আমাদের শিল্পী সমিতির সদস্য না। এর পরিপ্রেক্ষিতে হিরো আলমও প্রতিবাদ জানায়। সোশ্যাল মিডিয়াতে এটা নিয়ে ভালোই প্রোপাগান্ডা ছড়ায়। আমি বিষয়টি দেখে, পরেরদিনই জায়েদ খানকে ফোন করে অনেক রাগারাগি করি। আমি বলি, হিরো আলমকে তুমি এভাবে বলতে পারো না। কারণ হিরো আলম সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক পরিচিত। কয়দিন পর আমার মিডিয়া ম্যানেজারকে বলি, হিরো আলমকে ফোন কর আমি ওর সঙ্গে কথা বলব। আরাবি হিরো আলমের সঙ্গে আমার কনফারেন্স করে দেয়। আমি তাকে বলি, তোমাকে নিয়ে বেশ প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে আমি তোমাকে নিয়ে টকশো করব। সেখানে তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ থাকবে। কি সারপ্রাইজ ছিল সেটা আপনারা সবাই দেখেছেন।
তবে দুঃখের সঙ্গে অনন্ত জলিল বলেন, আজকে থেকে ২-৩ দিন আগে, আমি সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখি, হিরো আলম সেইম টপিক নিয়ে কথা বলছে। আমি এই বিষয়টি মেনে নিতে পারিনি। হিরো আলমের বোঝা উচিৎ ছিল যে, অনন্ত জলিল কে? অনন্ত জলিলের সমাজে কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা আছে। আমি ব্যক্তি স্বার্থে তাদেরকে মিট করে দেইনি। তারা কেউই আমার আত্মীয় না। সবাই ভালোভাবে, এক সঙ্গে কাজ করবে এটাই কাম্য।
মিট করার পরও হিরো আলম এই বিষয়ে একটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভিডিওর ক্যাপশনে সে লিখেছে, ‘অনন্ত জলিল আমাকে ইউজ করেছে’। হিরো আলম তুমি কি বুঝো ইউজ কাকে বলে? তোমার পাশে যদি কোনো এডুকেটেড পারসন থাকত তাহলে তোমাকে অক্ষরে অক্ষরে বুঝিয়ে দিতে পারত ইউজ করা কাকে বলে। কেউ যদি দিনের পর দিন ব্যক্তি স্বার্থে কাজে লাগিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয় এটাকে ইউজ করা বলে। যদিও হিরো আলমকে আমার কোনো কাজেই লাগবে না।
