সন্ধান২৪.কম ডেস্ক : মোদী সরকারের কাছে চিনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য আহ্ববান জানিয়েছেন চিনের উইঘুর মুসলমান সম্প্রদায়।

২০১৬ সালে ভারত ভিসা দিয়েছিল দোলকুনকে। চিন প্রতিবাদ করায় সেই ভিসা বাতিল করা হয়। দোলকুন বলছেন, ‘‘এ বার অন্তত চিনকে তোষণ করার নীতি থেকে সরে আসুক ভারত। উইঘুরদের অধিকারকে মান্য করার জন্য চিনের উপর চাপ তৈরি করুক। শিনজিয়াংয়ে যে ভাবে হাজার হাজার উইঘুরকে বন্দি করে রাখা হচ্ছে, তা নিয়ে মুখ খোলার জন্য ভারতকে অনুরোধ করছি। এখনও পর্যন্ত তারা এ নিয়ে নীরব।’’
শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর স্বশাসিত অঞ্চলকে কার্যত পদানত করে রেখে দিয়েছে বেজিং— এই দাবিতে সম্প্রতি সরব আমেরিকা এবং ইউরোপের কিছু দেশ। কূটনৈতিক সূত্রের বক্তব্য, গালওয়ান হিংসার সঙ্গেও এর পরোক্ষ যোগ রয়েছে। লে থেকে কারাকোরাম পর্যন্ত যে রাস্তার নির্মাণ নিয়ে ভারতের প্রতি এত উষ্মা চিনের, তার একটি বড় কারণ হল, বেজিংয়ের আশঙ্কা, এর ফলে আকসাই চিন এবং শিনজিয়াংয়ে নজরদারি বাড়াতে পারবে ভারত।
কিন্তু কোভিড সঙ্কটের মধ্যেই কেন চিন তাদের আগ্রাসন নীতি বাড়াল? উইঘুর নেতার মতে, ‘‘এ সবই উগ্র জাতীয়তাবাদের প্রতিফলন। দেশবাসীকে দেখানো, যে রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শক্তিশালী হচ্ছে। আসলে ওরা যখন দুর্বল, তখনই বেশি হুমকি দেয়। অতিমারির সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। হংকং, উইঘুর, তিব্বতের উপর কমিউনিস্ট পার্টির অত্যাচার বিশ্বের আতসকাচের নীচে। ফলে ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক— উভয় ক্ষেত্রেই ওরা প্রবল চাপের মুখে।’’