সন্ধান২৪.কম : সম্ভবত তিনি অতিরিক্ত মদ পান করে নেশার ঘোরে নিজের শরীরের সব পোশাক খুলে একটি বৌদ্ধ মন্দিরের উপরে উঠে পড়লেন। শুধু তাই নয়, স্থানীয় থাই বাসিন্দাদের সামনেই তীব্র চিৎকার করে তিনি স্লোগান দেন ও তারস্বরে চিৎকার শুরু করেন। মেইল আরো দাবি করছে, ফারাহ হক একজন বাংলাদেশি।

জানা যায়, পথচারীরা তাঁকে নেমে আসতে বললেও তিনি তারস্বরে তাঁদের উদ্দেশ্যে চেঁচাতে থাকেন। ডেইলি মেলের প্রতিবেদনে তাঁর পরিচয় বাংলাদেশি বললেও কীভাবে তারা এ ব্যাপারে নিশ্চিত হল তার উল্লেখ করেনি। মনে করা হচ্ছে, পুলিশের বক্তব্য ধরে এই পরিচয় দেয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি থাইল্যান্ডের উত্তর ভাগের একটি বৌদ্ধ মন্দিরে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় উঠে পড়েন। এমনকি ক্যামেরায় সেই দৃশ্য ধরাও পড়ে। তাঁর হাতে ছিল একটি বিয়ারের ক্যান। এই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে। ব্রিটেনের ডেইলি মেইল বলছে, এই কেলেঙ্কারি যিনি করেছেন তিনি আদতে একজন পর্যটক। নাম ফারাহ হক। বয়স ২৮।
ব্রিটেনের সানও বলছে , এই নারীর বয়স ২৮ বললেও ইংরেজি নয় এমন একটি গণমাধ্যম বলছে ২২। থাই পুলিশ বলছে, পর্যটক হিসেবে থাইল্যান্ডে গিয়ে ওই নারী শিক্ষকতা করছিলেন। এক্ষেত্রে ২৮ বয়স হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি!
ভিডিওতে দেখা যায়, সেখানে উঠে ওই নারী পথচারীদের উদ্দেশ্যে চিতকার করছেন। বলা হচ্ছে, এ সময় তিনি অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করিছেলন। এরপরেই সেখানে পুলিশ এসে উপস্থিত হয় এবং ওই মহিলাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় প্রুং সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে। ক্যামেরায় ওই নারীকে সম্পুর্ণ নগ্ন অবস্থায় দেখা যায়। এ সময় তিনি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গী করছিলেন।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, প্রথমে এই নারী পর্যটক হিসাবে সে দেশে ঢোকেন। কিন্তু এপ্রিল থেকে তিনি একজন ইংরেজ শিক্ষক হিসাবে কাজ করছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, থাইল্যান্ডের একটি হোটেলেই থাকেন তিনি। সুুত্র ; কালের কন্ঠ