সন্ধান২৪.কম: আফগানিস্তানে তালিবান মোল্লা আব্দুল গনি বরাদরের নেতৃত্বেই সরকার গড়তে চলেছে । অন্যদিকে, তালিবান প্রধান হিবাতুল্লা আখুন্দজাদা ইরানের আয়াতুল্লা খামেইনির মতো ‘সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু’র আসনে বসতে পারেন।
গত ১৫ অগস্ট রাজধানী কাবুল দখলের পরেই দেশের নাম বদলে ‘আফগানিস্তান ইসলামি আমিরশাহি’ করেছেন তালিবান নেতৃত্ব। গত শুক্রবার তালিবান সংগঠনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, নয়া সরকারের নেতৃত্বে দেবেন ‘আমির-উল-মোমিনিন’।
নব্বইয়ের দশকে তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের ‘ডান হাত’ ছিলেন বরাদর। ওমরের উত্তরসূরি হিসেবেও তাঁর নাম আলোচনায় ছিল। কিন্তু ২০১০ সালে পাকিস্তানের করাচিতে গ্রেফতারও হন বরাদর।
তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের ছেলে ইয়াকুব এবং হক্কানি নেটওয়ার্কের নেতা সিরাজুদ্দিন এবং আনস হক্কানিরও নয়া সরকারের ঠাঁই পাওয়া পাকা। যদিও ওই দুই গোষ্ঠীর অন্তর্বিরোধের কথা ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী হতে পারেন, দেরহাদূনের ‘ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমি’ (আইএমএ)-র প্রাক্তনী শের মহম্মদ আব্বাস স্তানিকজাই। কিন্তু ঘটনাচক্রে এঁরা সকলেই আফগানিস্তানে সংখ্যাগুরু পাশতুন জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি। তালিবান বাহিনীর প্রায় সকলেই এই জনগোষ্ঠীর।


