নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবাষির্কী পালন করলো

সন্ধান২৪.কম : নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন বাংলাদেশ লিবারেশন ভেটেরানস-১৯৭১ ইউএসএ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাত বার্ষিকী ও ‘জাতীয় শোক দিবস’র আয়োজন করে।

২২ আগস্ট সন্ধায়  জ্যাকসন হাইটসের একটি মিলনায়তনে এই আয়োজনে ছিল আলোচনা অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল। দোয়া পরিচালনা করেন টি মোল্লা।

অনুষ্ঠানর শুরুতেই  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মুক্তিযুদ্ধ ও বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন ও দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ । স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন।

আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক মুহম্মদ ফজলুর রহমান,  মুক্তিযোদ্ধা  দাউদ ভূঁইয়া, মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি ,লেখক- শিল্পী মুক্তিযোদ্ধা তাজুল ইমাম, মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান, কবি হাসান আল আব্দুললাহ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান সর্দার,সাংবাদিক  শাবান মাহমুদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, আকতার হোসেন, জাকির হোসেন হিরু ভূঁইয়া লেখক ওবায়দুল্লাহ মামুন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ড. সেলিনা আফরীন রিতা।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ বলেন,১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্রলীগ গঠনের মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসেন তিনি। এরপর বাহান্নর ভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন ও ছেষট্টির ছয় দফা প্রণয়নে ভূমিকা রেখে এবং ১৯৬৮ সালে তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি হিসেবে শেখ মুজিব বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হয়ে ওঠেন।

অন্যান্য বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানেই বাংলাদেশ—তাঁকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস কল্পনাও করা যায় না। তারা তাদের বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্বাধীনতার স্বপক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর একদল কর্মকর্তা ও সৈনিকের হাতে সপরিবারে জীবন দিতে হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তার পরিবারের ছয় বছরের শিশু থেকে শুরু করে অন্তঃসত্ত্বা নারীও সেদিন ঘাতকের গুলি থেকে রেহাই পায়নি।

 

 

 

Exit mobile version