সন্ধান২৪.কমঃ ‘আরোপিত নিষেধাজ্ঞা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়, শুধু র্যাবের কয়েকজনের বিরুদ্ধে।’ ইউএস কংগ্রেসম্যান ও হাউস ফরেন রিলেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান গ্রেগরি ডাব্লিউ মিকস ‘বাংলাদেশিজ ফর গ্রেগরী মিকস’ ব্যানারে আয়োজিত ‘এক ফান্ড রেইজিং’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। গত ৩১ জানুয়ারি নিউইর্য়কের কুইন্সের আটলান্টিক ডাইনারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নিউইয়র্কে ডেমোক্রেটিক পার্টির বাংলাদেশী নেতা মোর্শেদ আলমের সমন্বয় ও সঞ্চালনায় ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠানে কুইন্স ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান গ্রেগরি ডাব্লিউ মিকস বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শোনেন এবং তার ১১ মিনিটের বক্তব্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে বেশ কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেন।
সারা বিশ্বের ১১টি দেশের বিরুদ্ধে বাইডেন প্রশাসন গণতন্ত্র ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ পেয়েছে তার ওপর ভিত্তি করেই এটি করা হয়েছে। গত এক দশকে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নে তিনি আনন্দিত। বাংলাদেশের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন বলে উল্লেখ করেন মিকস। তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে তারা দ্বি-পাক্ষিক আলোচনায় আগ্রহী।
বাংলাদেশের আরও কর্মকর্তা এবং রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এবং বাইরে থেকে জোরালোভাবে লবিং করা হচ্ছে- এ প্রশ্নের উত্তরে কংগ্রেসম্যান বলেন, আমরা তাদের কথা অনুযায়ী এটি করব না, এটা সম্ভব নয় এবং আমরা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে সঠিক পদক্ষেপ নেব।
মিকস জানান, মানবাধিকার পরিস্থিতি ও অন্যান্য বিষয় দেখতে তিনি এ বছর বাংলাদেশ সফর করবেন। তার আগে তিনি স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং এশিয়া-প্যাসিফিক বিষয়ক কংগ্রেস সাব-কমিটির সঙ্গে কথা বলবেন। প্রয়োজনে তিনি বাংলাদেশ ইস্যুতে কংগ্রেসে শুনানির ব্যবস্থাও করবেন।
ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর,মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী,শাহ মো.বখতিয়ার আলী,ফরাসত আলী, কাজী মনির হোসেন,অধ্যাপক হোসনে আরা বেগম, রুমানা আক্তার,জালাল উদ্দিন জলিল, সাখাওয়াত আলী, এমএ সালাম, ডা. মাসুদুল হাসান, ফাহিম রেজা নূর, মমতাজ শাহনাজ, দীলিপ নাথ প্রমুখ।
এসময়ে নেতৃবৃন্দ কংগ্রেসম্যান মিকসের কাছে দুটি স্মারকলিপি দেন।
