পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নিহত ১৪, তৃণমূলের ৫, বিজেপির৫,আইএমএফ ১ 

সন্ধান২৪.কমঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন।নিহতদের মধ্যে ৫ জন তৃণমূলের, ৫ জন বিজেপির, একজন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ফের ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর থেকেই বিরোধী শিবির ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে বিভিন্ন জেলা সহ কলকাতা জুড়ে শাসক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিক জায়গায় অশান্তি, হিংসা, হানাহানির অভিযোগ উঠেছে। 

বিজেপি এসব সহিংসতার জন্য ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহিংসতার ঘটনায় রাজ্যপালকে ফোন করে উদ্বেগ জানিয়েছেন। আর রাজ্যবাসীকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

নিহতদের মধ্যে ৫ জন তৃণমূলের, ৫ জন বিজেপির, একজন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের। বাকি তিনজনের রাজনৈতিক পরিচয় সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রবিবার থেকে মঙ্গলবার বিভিন্ন জেলায় সহিংসতায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বেশ কিছু জায়গা থেকে বোমাবাজি, ভাঙচুর ও লুটপাটের খবর পাওয়া গেছে।  নির্বাচন চলাকালেও কয়েকটি জায়গায় সহিংসতা ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছিলো। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যুর সংখ্যা বেশি।

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, এতো বিপুল সমর্থন নিয়ে তৃণমূল জিতেছে তারপরেও কেন সহিংসতা। পুলিশের সামনে আগুন, লুটতরাজ হচ্ছে কিন্তু পুলিশ কিছু বলছে না। এটা মেনে নেওয়া যায় না। সহিংসতায় শীতলকুচি, দীনহাটায়, কলকাতায় ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় একজন করে নিহত হয়েছে। নিহতরা বিজেপির কর্মী দাবি করে এ হত্যাকাণ্ডের জন্য তৃণমূলকে দায়ী করেছে।

অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমানে তিনজন নিহত হয়েছে যাদের নিজেদের কর্মী দাবি করেছে তৃণমূল। এছাড়া আব্বাস সিদ্দিকীর ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফোর্স বা আইএসএফ উত্তর চব্বিশ পরগনায় তাদের একজন কর্মীকে হত্যার জন্য তৃণমূলকে অভিযুক্ত করেছে।

 

 

Exit mobile version