
গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু বলেন, ‘পুলিশি বাধার কারণে আজ আমরা এখানে সমাবেশ করছি। কিন্তু আগামীতে তা আর হবে না।’ তবে এ বিষয়ে পুলিশ কোনও বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি। .
প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে বাম জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ তিন দিনের কর্মসূচির ঘোষণা দেন। আগামী ৬ জুলাই গোলটেবিল, পানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ১৪ জুলাই কাওরান বাজার ওয়াশা ভবনের সামনে বিক্ষোভ এবং ২৩ জুলাই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগসহ অন্যান্য দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সমাবেশে জোটের শরিক গণসংসহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়নকারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প আর বাংলাদেশে শেখ হাসিনা একই রকম। দুই জনেই নীতি হচ্ছে করোনার টেস্ট কম, সংক্রমণও কম। এই কারণে শেখ হাসিনা করোনা টেস্টের ফি নির্ধারণ করছে। যাতে গরিব মানুষ টেস্ট করতে না পারে। এই ফ্যাসিবাদী সরকাররে কোনও প্রস্তুতি নেই। তাদের কথা হচ্ছে, যা হওয়ার হোক।’
করোনা মহামারিতে যখন ভর্তুকি দিয়ে কারখানা সচল করার দাবি উঠেছে, তখন সরকার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উল্লেখ করে সাকি বলেন, ‘সরকার ১২ শত কোটি টাকা দিয়ে পাটকল আধুনিকায় করতে পারছে না। আর তারা ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়ে শ্রমিকদের বিদায় করার কথা বলছে। আসলে এই টাকা কোথা থেকে আসবে। তারা শ্রমিকদের সামনে মুলা ঝুলিয়ে বিদায় করবে, পরে শ্রমিকরা সরকারের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াবে।’
মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিবির নেতা সাজ্জাদ জহির চন্দন, বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির আকবর আলী খান, বাসদের হামিদুল হক, বাসদ মার্কসবাদী মানস নন্দী প্রমুখ।

গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু বলেন, ‘পুলিশি বাধার কারণে আজ আমরা এখানে সমাবেশ করছি। কিন্তু আগামীতে তা আর হবে না।’ তবে এ বিষয়ে পুলিশ কোনও বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি। .
প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে বাম জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ তিন দিনের কর্মসূচির ঘোষণা দেন। আগামী ৬ জুলাই গোলটেবিল, পানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ১৪ জুলাই কাওরান বাজার ওয়াশা ভবনের সামনে বিক্ষোভ এবং ২৩ জুলাই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগসহ অন্যান্য দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সমাবেশে জোটের শরিক গণসংসহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়নকারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প আর বাংলাদেশে শেখ হাসিনা একই রকম। দুই জনেই নীতি হচ্ছে করোনার টেস্ট কম, সংক্রমণও কম। এই কারণে শেখ হাসিনা করোনা টেস্টের ফি নির্ধারণ করছে। যাতে গরিব মানুষ টেস্ট করতে না পারে। এই ফ্যাসিবাদী সরকাররে কোনও প্রস্তুতি নেই। তাদের কথা হচ্ছে, যা হওয়ার হোক।’
করোনা মহামারিতে যখন ভর্তুকি দিয়ে কারখানা সচল করার দাবি উঠেছে, তখন সরকার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উল্লেখ করে সাকি বলেন, ‘সরকার ১২ শত কোটি টাকা দিয়ে পাটকল আধুনিকায় করতে পারছে না। আর তারা ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়ে শ্রমিকদের বিদায় করার কথা বলছে। আসলে এই টাকা কোথা থেকে আসবে। তারা শ্রমিকদের সামনে মুলা ঝুলিয়ে বিদায় করবে, পরে শ্রমিকরা সরকারের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াবে।’
মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিবির নেতা সাজ্জাদ জহির চন্দন, বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির আকবর আলী খান, বাসদের হামিদুল হক, বাসদ মার্কসবাদী মানস নন্দী প্রমুখ।


