সন্ধান২৪.কমঃ জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশন, ইউএএস গত ৯ ডিসেম্বর ‘আন্তর্জাতিক জেনোসাইড স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবস‘র ৭ম বার্ষিকী পালন করে।
এ উপলক্ষে নিউইয়র্কে জেনোসাইডে নিহতদের স্মরণ এবং জেনোসাইড প্রতিরোধের প্রত্যয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডঃ প্রদীপ রঞ্জন কর। সেমিনার ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কনস্যাল জেনারেল ডঃ মনিরুল ইসলাম। এতে অংশগ্রহন করেন সাংবাদিক ফজলুর রহহমান,অধ্যাপিকা হোসনে-আরা, মহম্মদ আলী সিদ্দিকী, মোঃ বকতিয়ার আলী, রমেশ চন্দ্র নাথ, কামরুল আলম হিরা, বদিউজ্ঞামান পান্না, জালালউদ্দিন জলিল, মমতাজ শাহনাজ, একে চৌধূরী, খন্দকার জাহিদুল ইসলাম,শহিদুল ইসলাম,নুতন প্রজন্মের শুভ রহমান।
সভায় বিশেষজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিল-স্বাধীন বাংলা বেতার শিল্পী রথীন্দ্র নাথ রায়, ডাঃ মাসুদুল হাসান, কণ্ঠশিল্পী রেজা রহমান ও কণ্ঠশিল্পী জলি কর প্রমূখ।
ড. প্রদীপ রঞ্জন কর তার বক্তব্যে বলেন- একাত্তরের ৯ মাসে বাংলাদেশে যে নিসংশতা ও বর্ববরতা সংগঠিত ঘটেছে তা যেভাবেই সংজ্ঞায়িত করা হোক, তা ‘জেনোসাইড’ হিসেবেই চিহ্নিত হবে, তা নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী যে জেনোসাইড চালিয়েছিল তার নির্মম সাক্ষীও অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মিডিয়া প্রকাশিত হয়েছে যার বিষদ বর্ণনা রয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মিডিয়া প্রকাশিত এত সব মতামত ও প্রতিবেদনের পরও একাওুরের এতবড় জেনোসাইড আজও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিলেনি!
তিনি আরও বলেন,এই ‘ডকুমেন্ট’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি অফ স্টেট ও অ্যাটর্নি জেনারেল বরাবর পাঠানো যাতে একাওুরের বাঙ্গালী জেনোসাইড স্বীকৃতি ও যুক্তরাষ্ট্রে পলাতক থাকা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর খুনি সাজাপ্রাপ্ত রাশেদ চৌধুরী ও সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী আসারাফুজ্জামান খানকে বাংলাদেশে ফেরৎ পাঠিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে।
জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশন, ইউএএস নিউইয়র্ক ভিত্তিক এই সংস্থাটি দীঘদিন যাবৎ জেনোসাইড ভিকটিমদের স্মরণ, জেনোসাইড অপরাধ সম্পর্কে গণসচেতনতা তৈরী, অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা,একাওুরের বাঙ্গালী জেনোসাইডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় এবং জেনোসাইড প্রতিরোধে কাজ করে আসছে।