ভারতের পশ্চীমবঙ্গে বামেদের ডাকা ১২ ঘণ্টার হরতাল

অভিযানকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ।

সন্ধান২৪.কমঃ বাম-কংগ্রেসের ছাত্র এবং যুব সংগঠনগুলির সম্মিলিত নবান্ন অভিযানে পুলিশ ও তৃণমূল সরকারের ন্যাক্কারজনক ভূমিকার প্রতিবাদে শুক্রবার রাজ্য জুড়ে ১২ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে বামেরা। আজকের হরতালে আরও দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে বামেরা মাঠে নামবে বলে জানা গিয়েছে।

জলকামান, কাঁদানেগ্যাস, লাঠিচার্জ, বেধড়ক আক্রমণ।। আহত, রক্তাক্ত অসংখ্য ছাত্র যুব।।

 হরতাল কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছে কংগ্রেস এবং আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। বাম-কংগ্রেসের ছাত্র এবং যুব সংগঠনগুলির উপর পুলিশ নগ্ন ভাবে আক্রমণ করেছে । ফলে ত্রিশক্তির সমর্থন পুষ্ট আজকের  হরতালে নতুন করে সঙ্ঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। 

বৃহস্পতিবারের ঘটনার প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি রয়েছে এসএফআই-এর। ছাত্র ধর্মঘটকে সমর্থন জানিয়েছে ছাত্র পরিষদও। নৈতিক সমর্থন জানানোর কথা ঘোষণা করেছে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন-ও। 

লালবাজার সূত্রে খবর, শুধু মাত্র মহানগরীতেই মোতায়েন ৩ হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েন। হরতালের পাশাপাশি এ দিন ছাত্র ধর্মঘটেরও ডাক দিয়েছে বাম ছাত্রসংগঠনগুলি। ঘটনাচক্রে শুক্রবারই নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য স্কুল খুলতে চলেছে রাজ্যে। কিন্তু স্কুলে গেলে ছাত্রছাত্রীদের বাধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এসএফআইয়ের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য।

রাজ্যে নতুন শিল্প, বেকারদের চাকরি-সহ বেশ কয়েকটি দাবিকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দেয় বাম-কংগ্রেসের ১০টি ছাত্র ও যুব সংগঠন। এসএন ব্যানার্জি রোডে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বাধে পুলিশের। আন্দোলনকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাসও ব্যবহার করা হয়। বেধে যায় খণ্ডযুদ্ধ। লাঠির ঘায়ে কয়েক জন বিক্ষোভকারী আহত হন বলেও অভিযোগ। পুলিশ অনেককে গ্রেপ্তার করে। তার প্রতিবাদেই শুক্রবার ফের এক বার পথে নামছে বামেরা।

 

Exit mobile version