ইতালি যাওয়ার পথে নিহত ৭ বাংলাদেশীর পরিচয় প্রকাশ

ফাইল ছবি

সন্ধান২৪.কমঃ  ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টাকালে তীব্র ঠাণ্ডায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। এ খবর প্রকাশের পর থেকেই ইতালির বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ জানুয়ারি অবৈধভাবে সাগরপথে ইউরোপ যাওয়ার সময় তীব্র ঠান্ডায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। প্রাথমিক তথ্যমতে, ঐ নৌযানে অভিবাসন প্রত্যাশি ২৮৭ জনের মধ্যে ২৭৩ জন ছিলেন বাংলাদেশি, অন্যরা মিশরীয় নাগরিক।

ইতালি দূতাবাস উদ্ধার হওয়া লোকদের সঙ্গে কথা বলে ঠাণ্ডায় প্রাণ হারানো সাত বাংলাদেশীর পরিচয় শনাক্ত করেছে। তারা হলেন মাদারীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম পিয়ারপুর গ্রামের ইমরান হোসেন, পিয়ারপুর গ্রামের রতন জয় তালুকদার, ঘটকচর গ্রামের সাফায়েত, মোস্তফাপুর গ্রামের জহিরুল, মাদারীপুর সদর উপজেলার বাপ্পী, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার মামুদপুর গ্রামের সাজ্জাদ ও কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার সাইফুল।

প্রতীকী ছবি

ইতালির কাতানিয়া ও পালেরমোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের অনারারি কনসালগণের মাধ্যমেও বাংলাদেশ দূতাবাস প্রকৃত তথ্য অনুসন্ধান এবং যথোপযুক্ত করণীয় নির্ধারণের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম কল্যাণ) এরফানুল হকের নেতৃত্বে ও দূতাবাসের একজন ইতালি-ভাষি কর্মচারীসহ দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি দল দুর্ঘটনার পরদিনই লাম্পেডুসা দ্বীপে পৌঁছায়। পরদিন কাউন্সেলর এরফানুল হক লাম্পেডুসার ডেপুটি মেয়র প্রেস্টিপিনো সালভাতোরের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। সাক্ষাত্কালে তারা দুর্ঘটনার বিষয়ে ও ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে বিস্তারিত আলাপ করেন। শুক্রবার ইতালি কোস্টগার্ডের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দূতাবাসের প্রতিনিধিদলটি সাক্ষাত্ করে। সিসিলি প্রদেশের এগ্রিজেন্তো এলাকায় অবস্থিত মর্গে সাতটি লাশ দাফনের আগ পর্যন্ত রাখা হবে বলে জানা গেছে। মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে জীবিত উদ্ধারকৃতদের বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং দূতাবাসের প্রতিনিধিদল তাদের সঙ্গে কথা বলেছে।

 

 

Exit mobile version