সন্ধান২৪.কম : পাকিস্তানে ইমরান খান সরকার মারাত্মক বিপদে পড়েছেন। পাকিস্তানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ফ্রান্স।
ফ্রান্সের ব্যঙ্গাত্মক সাপ্তাহিক ’শার্লি এবদো’ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করার প্রতিবাদে এবার কিছুটা বিপাকে পড়েছে ইমরান খান সরকার। পাকিস্তানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ফ্রান্স।
ইইউ’র পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানে এখনও ধর্মীও স্বাধীনতা আছে বলে প্রচার করা হলেও আসলে দেশটিতে ধর্মীয়ভাবে অনেক বিধিনিষেধ রয়েছে। এবং সেখানে সমালোচনা করার দায়ে অনেক মানুষকে মৃত্যুদণ্ডের সাজাও দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরে ২৩ শে অক্টোবর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে পাকিস্তান উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বিচার বিভাগের তালিকায় থাকবে এবং বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদের অর্থায়নের জন্য অ্যাকশন টাস্কফোর্স নজরদারিতে থাকবে দেশটি।
গত ১৬ নভেম্বর ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে করা লিখিত প্রশ্নে ফরাসী সদস্য ডমিনিক বিল্ড বলেছেন, আর্থিকভাবে পাকিস্তানকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যে সহায়তা দিয়ে আসছে তার পরিমাণ ও দেশটির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক প্রত্যাহারের বিষয়ে কি পদক্ষেপ নিচ্ছে ইইউ।
যদিও ইইউ এখনও এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত জানায় নি। তবে সামনে সপ্তাহের মধ্যেই কমিশন এর জবাব দিবে বলে জানিয়েছে জাস্টআর্থনিউজ।
ইইউ এইড এক্সপ্লোরার ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইইউ পাকিস্তানকে ৪ বিলিয়ন ইউরোর বেশি আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।
ইইউর তথ্যমতে, পাকিস্তানের সঙ্গে ২০১৪ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দ্বিপাক্ষিক সহায়তার জন্য ৬০৩ মিলিয়ন অর্থ বরাদ্ধ ছিল। বিশেষ করে বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পাকিস্তান ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ‘জিএসপি+’ প্রকল্পের আওতায় ব্যাপক সুবিধা ভোগ করেছে। কারণ এসময় সকল পণ্যে দুই-তৃতীয়াংশের শূন্য কর উপভোগ করেছে।
তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, পাকিস্তান এই সুবিধাগুলো পেয়েছে শাসন ও মানবাধিকারসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে।


