সন্ধান২৪.কম : দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে বিএনপির দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের (শোকজ) জবাব দিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ। ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি শোকজের জবাব দিলেন। ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এখনও কোন জবাবে দেন নাই।

দলের দুই ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও শওকত মাহমুদকে বিএনপির কারণ দর্শানোর নোটিস বা শোকজ করার ঘটনায় নানামুখী জল্পনা-কল্পনা চলছে খোদ দলটির নেতা-কর্মীদের মধ্যে। এই জল্পনা-কল্পনা বিএনপির পরিধি ছাড়িয়ে দলটির নেতৃত্বাধীন ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলোর নেতা-কর্মীদের মাঝেও বিস্তৃত হয়ে পড়েছে। এই দুই নেতার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে সোমবার এই শোকজ করা হলেও এনিয়ে কয়েক ধরনের কথা শোনা যাচ্ছে।
বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে তার একান্ত সহকারি আবদুল মতিন খামের ভেতর জবাবের চিঠি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছে দেন। তা গ্রহণ করেন কার্যালয়ের স্টাফ আবদুল গাফফার। মতিন জানান, স্যারের (শওকত মাহমুদ) একটি চিঠি জমা দিয়েছি। রিসিভ কপি নিয়ে এসেছি। জবাবটি এক পৃষ্ঠার বলে জানা গেছে।
গত ১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের স্বাক্ষরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী অভিযোগ এনে এ বিষয়ে কেনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে না তার জবাব ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দলীয় কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছিলো নোটিশে।
শওকত মাহমুদ ছাড়াও দলের আরেকজন ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে কারণ দশানো নোটিশ দেয়া হয়। তাকে ৫ দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
তবে শোকজের কারণ সম্পর্কে বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে ভিন্ন তথ্য। সূত্রমতে, হেফাজতে ইসলামে মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর নামাজে জানাজার পরপরই সোমবার রাজধানীর গুলিস্তান ও পল্টন এলাকায় সরকারের পদত্যাগ দাবিতে পেশাজীবী পরিষদের ব্যানারে হঠাত্ বিক্ষোভ ও অবস্থানের কারণেই এই শোকজ। হঠাত্ এই বিক্ষোভ ও অবস্থানের বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানতো না বিএনপির হাইকমান্ড। এই বিক্ষোভের বিষয়ে নানা মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে নেপথ্যের কিছু তথ্য জেনে হাইকমান্ড ক্ষুব্ধ হন।


