সন্ধান২৪.কম : পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে নিহত রায়হান হত্যার প্রধান আসামি বরখাস্তকৃত এসআই আকবরকে যখন খাসিয়ারা বেঁধে ফেলে তখন আকবরের অনুরোধ ‘আল্লাহর কসম ভাই, আমি ভাগব না, খোদার কসম ভাই, ভাগব না। আমাকে রশি দিয়ে বাঁধবেন না’।
খাসিয়ারা তাকে পায়ে ও কোমরে দড়ি দিয়ে বেঁধে আটকে রাখে। পরে তাকে বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। যখন তাকে খাসিয়ারা আটক করে তখন তার মুখে চাপ দাঁড়ি, গলায় মালা ছিলো। তিনি খাসিয়াদের বেশভূষা ধরে ভারতে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার শেষ রক্ষা হয়নি।
পালিয়েছ কেন এমন প্রশ্নের জবাবে খাসিয়াদের আকবর বলেন, ‘আমারে এক সিনিয়র অফিসার বলেছেন সাসপেন্ড করেছে। গ্রেপ্তার করতে পারে। তাই তুমি আপাতত চলে যাও। কদিন পরে আইসো। দুই মাস পর সব ঠিক হয়ে যাবে। তখন আইসো।’
সূত্রমতে, গত রবিবার গভীর রাতে ভারতের দনা সীমান্ত এলাকার খাসিয়াদের হেডম্যানরা আকবরকে আটক করে। পরে সোমবার বেলা একটার দিকে আকবরকে বাংলাদেশ সীমান্তে গরু ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় লোকজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয় খাসিয়ারা। পরে কানাইঘাট থানা পুলিশ ও জেলা পুলিশের একটি টিম তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
গত ১১ অক্টোবর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে গুরুতর আহত হন রায়হান। তাকে ওইদিন সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন বন্দরবাজার ফাঁড়ির এএসআই আশেকে এলাহীসহ পুলিশ সদস্যরা। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান রায়হান।


