সন্ধান২৪.কম : বাংলাদেশের গাইবান্ধা স্টেডিয়াম সংলগ্ন রাষ্ট্র্রস্বীকৃত জেলার প্রধান বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবীতে ‘নিউইয়র্ক প্রবাসী গাইবান্ধাবাসী’র আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সবাবেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সামাজিক ,সাংস্কৃতি মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহন করেন। সমাবেশের সময় প্রচন্ড বৃষ্টি থাকার জন্য অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করা হয় ।

১৬ জুলাই, রোববার বিকেল ৫টায় নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা চত্ত্বরে এই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন গাইবান্ধা পৌরসভার দুইবারের সাবেক কমিশনার নাজমা বেগম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সনজীবন কুমার।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে যে স্মারকলিপি প্রেরণ করা হবে, সেটি পাঠ করে শোনান ফাহমিদা চৌধুরী লুনা ।
সমাবেশে রাষ্ট্র্রস্বীকৃত জেলার প্রধান বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযাদ্ধা রেজাউল বারী বকুল, শরাফ সরকার ও এম এ বাতিন , ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ফাহিম রেজা নুর ,সাপ্তাহিক প্রথম আলো সম্পাদক ইব্রাহিম চৌধুরী খোকন
প্রগ্রেসিভ ফোরামের সহ সভাপত জাকির হোসেন বাচ্চু ।
সমাবেশে বক্তরা বলেন, বধ্যভূমির উপর আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশ সেন্টার স্থাপনের প্রস্তাব কোনভাবেই সুবিবেচনাপ্রসূত ও গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। প্রভাবশালী ও সুযোগসন্ধানী ওই মহলটি অর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে অশুভ পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। এর ফলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারের একটি মহতি উদ্যোগ কালিমালিপ্ত হতে পারে। মানববন্ধনে বক্তরা বর্তমান সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতেই এই অপচ্ষ্টো। তাই নিউইয়র্ক প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ‘ আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার’ প্রকল্পের জন্য বিকল্প জমি অধিগ্রহন করে সেটি নির্মান করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক জি এম চৌধুরী মিঠুর বক্তব্য দেয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে সম্ভব হয় নাই ।
সব শেষে মহিতোষ তালুকদার তাপস ও মৈত্রয় দেবীর নেতৃত্বে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে “ এ আগুনের পরশ মনি ছোঁয়াও প্রাণে” গানটি পরিবেশন করা হয় ।
উল্লেখ্য, একই দাবীতে সম্প্রতি গাইবান্ধায় বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মানববন্ধন রচনা করে।