সন্ধান২৪.কম : সংরক্ষিত নারী আসনের ঘোষিত তালিকায় জায়গা হয়নি শহীদ জিয়াউর রহমানের পালিত কন্যা নিউইয়র্ক প্রবাসী জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও বিএনপি নেত্রী বেবী নাজনীনের। যদিও মনোনয়নের দৌড়ে তার নাম বেশ আলোচনায় ছিল। এদিকে নারী আসনে তার জায়গা না হওয়ায় নিউইয়র্কে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে হতাশা নেমে এসেছে।
যদিও বেবী নাজনীন দলীয় কার্যক্রমে দেশে এবং নিউইয়র্কে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন, তবুও এবার মাঠ পর্যায়ে অভিজ্ঞ নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় তিনি চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাননি বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার মনোনয় না পাওয়ায় নিউইয়র্কের বিএনপি কর্মীদের মাঝে হতাশা নেমে এসেছে। অনেকে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বকে আর একবার বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বৈঠকে ত্যাগী, যোগ্য ও দক্ষ নারী নেত্রীদের প্রাধান্য দিয়ে তালিকাটি চূড়ান্ত করা হয়।
এর আগে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিভিন্ন সাংগঠনিক বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। সেখানে প্রার্থীরা দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ৩৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়া নেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হুসাইন ও সুরাইয়া জেরিন।
এছাড়া তালিকায় আছেন মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
প্রসঙ্গ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তাকে বলতেন নিজের মেয়ে। এমনকি সবখানে পরিচয় করেও দিতেন এই পরিচয়ে। এখন শুনতে অবাক লাগলেও জিয়াউর রহমান যতোদিন বেঁচে ছিলেন ততোদিন পর্যন্ত তাকে আপন মেয়ের মতোই স্নেহ করতেন। বলছি, ব্ল্যাক ডায়মন্ড খ্যাত কন্ঠশিল্পী বেবী নাজনিনের কথা। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ঢাকা আসেন বেবী নাজনীন। গানের গলা ভালো থাকলেও তার জীবনের মোড়টা ঘুরিয়ে দেয় জিয়াউর রহমান।


