সন্ধান২৪.কম : নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে দুটি পৃথক সংগঠনের উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
৩০ মে মঙ্গলবার দুপুর এর একটি নবান্ন রেষ্টুরেন্টের সামনে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী,নিউইয়র্ক এবং অপরটির ডাইভারসিটি প্লাজায় আয়োজন করে জ্যাকসন হাইটস সোসাইটি নিউইয়র্ক,আমেরিকা।
জ্যাকসন হাইটসে দুটি পৃথক উদ্যোগে জিয়ার শাহাদত বার্ষিকী উদযাপন করায় ‘জিয়ার মৃত্যুবাষির্কীকে কেন্দ্র করে শেষ পর্যন্ত জ্যাকসন হাইটস একালাবাসীও দুই ভাগে বিভক্ত হলো’ বেশ কয়েকজনকে এমন মন্তব্য করতে শোনা যায়।

নবান্ন রেষ্টুরেন্টের সামনে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী,নিউইয়র্ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা,মিলাদ মাহফিল ও খাবার বিতরণের আয়োজন করে । এ ছাড়াও আয়োজকদের পক্ষ থেকে উপস্থিত প্রায় সব সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও, অনলাইন পোর্টাল, ও সামাজিক মাধ্যমের সাংবাদিকদের ‘খাম’ উপহার দেয়া হয়। উপস্থিত কয়েকশত ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিতরণ জায়জানাজ বিতরণ করা হয়।

নবান্ন রেষ্টুরেন্টের সামনে সংগঠনের সভাপতি শাকিল মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মো. আলম নমী। এ ছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির নেতা গিয়াস আহমেদ. রফিকুল ইসলাম ডালিম, ফারুক হোসেন মজুমদার, সৈয়দা মাহমুদা শিরিন,বদরুল হক আজাদ, গোলাম ফারুক শাহীন, কুইন্স ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার আইনজীবি মঈন চৌধুরী, উদযাপন কমিটির আহবায়ক দেওয়ান মনির, সদস্য সচিব আমানত হোসেন আমান, প্রধান সমন্বয়কারী সারওয়ার খান বাবু প্রমুখ।

উল্লেখ্য, জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী দীর্ঘদিন থেকে শেখ মুজিবুর রহমান,শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও হোসাইন মোহাম্মদের এরশাদের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করে আসছে।

অপরটির ডাইভারসিটি প্লাজায় ‘জ্যাকসন হাইটস সোসাইটি নিউইয়র্ক,আমেরিকা‘র অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস আহমেদ ও বিশেষ অতিথি সমাজ সেবক নুর আমিন। সংগঠনের আহবায়ক দেওয়ান কাওছারের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন ভূইয়া,যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা,সাইদুর রহমান সাইদ, সৈয়দা মাহমুদা শিরিন,বদরুল হক আজাদ, গোলাম ফারুক শাহীন, এবাদ চৌধুরী প্রমূখ। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম মনির । এখানেও জিয়াউর রহমানের ৪২তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা,মিলাদ মাহফিল ও খাবার বিতরণের আয়োজন করা হয়।

দুটি অনুষ্ঠানে আলোচকরা বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতার পর তাকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়। জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে এটি ছিল সর্বোচ্চ সম্মান। দেশের যে কোনো সংকটে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তার পরিবার জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
বহুদলীয় গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বক্তরা আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের পর তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। সংবাদপত্রকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, , ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এক দল সৈন্যের গুলিতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।


