গল্পটা এমনই। চারপাশে জল্পনা। সংকট থেকে পরিত্রাণ কীভাবে? দাবার ঘুঁটির চাল কোনদিকে? দেশের তিন অনিবার্য কাঠামোর একটি বিচার বিভাগ। আর তার শীর্ষ আসনে ছোটখাটো একজন মানুষ। একেবারেই অন্তর্মুখীন। লোকচক্ষুর আড়ালেই যিনি। কিন্তু স্বৈরশাসকের পতনে সেই মানুষটিই হয়ে ওঠলেন ত্রাতা। তিন জোট গণতন্ত্র ফিরে পেতে বড় জয় পেলো ঠিকই কিন্তু মসনদের দৌড়ে কারা তার যুৎসই রোডম্যাপ নিয়েই চলছিল আলোচনা।
তখন মিডিয়া বলতে প্রিন্ট মিডিয়াই। টেলিভিশনের বুম নিয়ে ছুটোছুটি ছিল না। নোটপ্যাড আর কলম নিয়ে সাংবাদিকরা হাজির সেই প্রচারবিমুখ মানুষটির বাড়ির দরজায়। অবশেষে তিনি এলেন। পুরো অবয়বে, সাধারণ বললে কম বলা হবে, তিনি ছিলেন অতি সাধারণ। সাংবাদিকরা অবাক হয়ে দেখলেন তার পরনে এক পায়ে মোজা।
নিপাট সারল্যে ঘেরা মানুষটি হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন অতি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সংকটে নিজের লেবাস নিয়ে সচেতন হতে। শোনা যায়, এরশাদ পতনের পর যখন তিনি বঙ্গভবনে পৌঁছান তখন নাকি কোট-প্যান্টের সঙ্গে ম্যাচিং জুতো না পরেই চলে এসেছিলেন। বিদ্বান ও উচ্চ শিক্ষিত মানুষ এমনই। বলছিলাম বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ-এর কথা। যিনি দেশকে গণতন্ত্রের পথে ধাবিত করতে কাজ করেছেন নিরলসভাবে, দৃঢ়চিত্তে। তিনি বিশ্বাস করতেন, প্লেইন লিভিং, হাই থিঙ্কিং-এ।
ক্ষমতার মোহ ছিল না। ছিল না ক্ষমতা অর্জনের বড়াই। তাই তো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তিনি খুব সহজেই প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হতে চাননি। আর বঙ্গভবনকে ব্যবহার করে তার পরিবার-পরিজন বাড়তি সুবিধা নেননি। সাবেক অনেক প্রেসিডেন্টের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ ওঠেছে তার এককণাও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ওঠেনি। তিনি অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধানের পদে যেতে শর্ত দিয়েছিলেন, বঙ্গভবনে যেতে পারি কিন্তু নিজ দায়িত্ব পুরোপুরি শেষ করে ফিরতে চান প্রধান বিচারপতির আসনে। হয়েছিলও তাই। সকলে ঐকমত্য হয়ে আইন সংশোধন করে সেই ব্যবস্থা করেছিলেন।
রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে থেকেও তিনি অটল ছিলেন নীতির প্রতি। নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখতে গিয়ে দলবিশেষের বিরাগভাজন হয়েছেন। তবুও ক্ষমতায় থাকতে হবে এমন মোহান্ধ ছিলেন না। শীর্ষ আসন থেকে বিদায় নিয়ে একেবারেই নিভৃত কাটিয়েছেন শেষদিন পর্যন্ত। হননি কোন মিডিয়ার মুখোমুখি। দেননি কোনো সাক্ষাৎকার। নেপথ্যের অধ্যায় থেকে গেছে আড়ালেই।
সাবেক প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দীন আহমদ সব সময়ই ছিলেন প্রচারবিমুখ মানুষ। মিডিয়ার মুখোমুখি হতে চাইতেন না। রাষ্ট্রপতি হিসেবে মেয়াদ শেষে তিনি একেবারেই নীরবে-নিভৃতে থাকতেন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র আসে। কিন্তু তিনি কোথাও যাননি। একসময় একান্ত পারিবারিক কিছু অনুষ্ঠানে যেতেন। তবে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অবসর নেয়ার পর আর কোনো ধরনের অনুষ্ঠানেই যাননি।
গ্র্যান্ড প্রেসিডেন্ট কনকর্ডে যেমন ছিলেন
বাড়িটির নাম ‘গ্র্যান্ড প্রেসিডেন্ট কনকর্ড’। কিন্তু জনমানুষের কাছে এটি পরিচিত প্রেসিডেন্ট হাউজ হিসেবে। রাজধানীর গুলশান-২ এর ৫৯ নম্বর সড়কের ১০ নম্বর ধূসর রঙের এই বাড়িতেই জীবনের শেষসময় কাটিয়েছেন একসময়ের আলোচিত প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দীন আহমদ। শেষদিনগুলোতে বার্ধক্যজনিত কারণে অনেকটাই কাবু হয়ে পড়েছিলেন। শরীর তেমন ভালো যাচ্ছিল না। বয়সজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। স্বাভাবিক চলাফেরা করতেও কষ্ট হতো। প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায়ের পর রুটিন ছিল সময় করে হাঁটাহাঁটির। নানা অসুস্থতায় তাতেও ছেদ পড়েছিল। বাসায় তার সার্বক্ষণিক দেখাশোনা করার জন্য রয়েছেন দু’জন সেবিকা। সাধারণত তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বাসায় আসতেন চিকিৎসকরা। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ অনেকটা নীরবেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন।
বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের তিন মেয়ে আর দুই ছেলের মধ্যে বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সিতারা পারভীন। ২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। ২০১৮ সালে সাহাবুদ্দীন আহমদের স্ত্রী আনোয়ারা বেগমও মারা যান। বড় ছেলে পরিবেশ প্রকৌশলী শিবলী আহমদ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। মেজো মেয়ে স্থপতি সামিনা পারভীন থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে। ছোট মেয়ে চারুশিল্পী সামিয়া পারভীন থাকেন দুবাই।
রাজনীতি না করেও যিনি আলোচনায়
তিনি কখনো রাজনীতি করেননি। রাজনীতিক না হয়েও বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে অনন্য হয়ে আছে তার নাম। ছিলেন বিচারপতি, পরে নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর জাতির এক সন্ধিক্ষণে নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্টের দায়িত্বও। শুধু একবার নয়, দু’বার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বহুদিন ধরে নিজেকে লোকচক্ষুর আড়ালে নিয়ে গেছেন এই মানুষটি। আবাসন কোম্পানি কনকর্ডের সঙ্গে অংশীদারে বানানো ছয়তলা বাড়িটিতে দর্শনার্থীদের প্রবেশে কড়াকড়ি ছিল সবসময়ই।
নিভৃতচারী এই মানুষটি একদা যেমন বিচক্ষণতার সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তেমনি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনটিও উপহার দিয়েছিলেন জাতিকে। সাহাবুদ্দীন আহমদ কোনোবারই নিজের ইচ্ছায় প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেননি। ১৯৯০ সালের ৫ই ডিসেম্বর গণঅভ্যুত্থানে এরশাদের পতন হয়। তখন প্রশ্ন দেখা দেয়, কে দেশের দায়িত্ব নেবেন? রাজনৈতিক দলগুলো মিলে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদকে অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তিনি বিচারিক পদ ছাড়তে চাননি বলেই সর্বসম্মতিক্রমে তাকে আবার আগের পদে ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করা হয়। একাদশ সংশোধনী ছিল সেই অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন। নব্বইয়ের অভ্যুত্থানের পর সেদিন বিচারপতি সাহাবুদ্দীন দায়িত্ব না নিলে দেশে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিতো। সাহাবুদ্দীন আহমদের দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রেক্ষাপটও ভুলে যাওয়ার নয়। প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায় নিয়ে অন্তরালে চলে যান সাহাবুদ্দীন আহমদ।
কেন্দুয়ার পেমই থেকে বঙ্গভবন
১৯৩০ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পেমই গ্রামে জন্ম নেন সাহাবুদ্দীন আহমদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫১ সালে অর্থনীতিতে বিএ (অনার্স) এবং ১৯৫২ সালে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। ছিলেন ফজলুল হক হলের ছাত্র। ১৯৫৪ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসের (সিএসপি) প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে জনপ্রশাসনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। তার বাবা তালুকদার রিসাত আহমেদ একজন সমাজসেবী ও এলাকায় জনহিতৈষী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
অবশ্য বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের কর্মজীবনের সূচনা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে। পরবর্তী সময়ে সহকারী জেলা প্রশাসক হওয়ার পর ১৯৬০ সালে প্রশাসন থেকে বিচার বিভাগে বদলি হন। আসীন হন বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদে।
১৯৮০ সালের ৭ই ফেব্রুয়ারি সাহাবুদ্দীন আহমদকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক নিয়োগ করা হয়। বিচারপতি হিসেবে তার প্রদত্ত বহুসংখ্যক রায় প্রশংসিত। বাংলাদেশ সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর ওপর তার প্রদত্ত রায় দেশের শাসনতান্ত্রিক বিকাশের ক্ষেত্রে এক অনন্য ঘটনা হিসেবে স্বীকৃত। এ রায়ে তিনি অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে গণতন্ত্রের ছদ্মাবরণে নিজস্ব ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করা, গোষ্ঠী শাসন প্রতিষ্ঠা, মৌলিক মানবাধিকার খর্ব করা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, জনগণের সার্বভৌমত্বের বিরোধিতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অস্বীকৃতি এবং আইনের শাসনের পরিবর্তে আদেশ জারির মাধ্যমে সংবিধান রহিত করার প্রবণতার জন্য তৃতীয় বিশ্বের একনায়ক শাসকদের সমালোচনা করেন। বিচার বিভাগে নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি ও ছুটির ক্ষেত্রে হাইকোর্টের চিরাচরিত ক্ষমতা খর্ব করা এবং রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ কর্তৃক নিম্ন আদালতগুলো নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারেও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
১৯৮৩ সালের মধ্য ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণের ঘটনা তদন্তের জন্য গঠিত তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ। তৎকালীন সরকার তার সেই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। ১৯৭৮ সালের আগস্ট থেকে ১৯৮২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ রেডক্রস সোসাইটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯০ সালের ১৪ই জানুয়ারি তাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করা হয়। ওই বছরের ৬ই ডিসেম্বর এরশাদবিরোধী গণ-আন্দোলনের মুখে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমদ পদত্যাগ করেন এবং বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদকে উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা হয়। ওই দিনই রাষ্ট্রপতি এরশাদ পদত্যাগ করে উপ-রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এর ফলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি সরকার প্রধানের দায়িত্ব লাভ করেন এবং নিরপেক্ষ অরাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করেন। ওই সময় সরকার প্রধান হিসেবে তিনি বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ বেশকিছু আইন সংশোধন করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে ভূমিকা পালন করেন।
সাহাবুদ্দীন আহমদের ইচ্ছায় দেশের সংবিধানের ১১তম সংশোধনীটি আনা হয়। এর ফলে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের পরও তিনি ১৯৯১ সালের ১০ই অক্টোবর প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে সুপ্রিম কোর্টে ফিরে যান এবং ১৯৯৫ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। সাহাবুদ্দীন আহমদ আবারো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসেন ১৯৯৬ সালে। দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ওই বছর ক্ষমতায় এসে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে। ১৯৯৬ সালের ৯ই অক্টোবর তিনি নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং ২০০১ সালের ১৪ই নভেম্বর তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
যে কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন
বিচারক হিসেবে বিচার বিভাগে যুগান্তকারী রায় প্রদান এবং রাজনীতিবিদ না হয়েও বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক আলোচিত নাম বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ। তিনি সবার কাছে নিরপেক্ষতা, সততা ও আস্থার প্রতীক ছিলেন। এ কারণেই তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। দুই দফায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবেও তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের দায়িত্বটুকু শতভাগ পালন করেছেন। কোনো ভয়ের কাছে মাথানত করেননি।
ব্যক্তি সাহাবুদ্দীনের কাছে রাজনীতি পেশা ছিল না। নেশাও যে না সেটা পরবর্তীকালে নিভৃত জীবনযাপনই বলে দেয়। পরিমিত কথা ও গণতন্ত্রের কামনায় ছিলেন বহুল আলোচিত। ঠিক তেমনি দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সরব না হওয়ায় বিতর্কের মধ্যেও অটল ছিলেন।
নিভৃতচারী ও অন্তর্মুখীন এই মানুষটিকে যে যেভাবেই মূল্যায়ন করুক তিনি তারমতো করে ছিলেন, থাকবেন শ্রদ্ধার আসনে। বিদায় বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ। ভালো থাকবেন অনন্তলোকে।


