সন্ধান২৪.কম : আগামী বছর ভ্যাকসিন বাজারে এলেও মারণ ভাইরাসের হাত থেকে নিস্তার মিলছে না। আরও অন্তত দু’বছর নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া উচিত বলে জানালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) সৌম্যা জানিয়েছেন, আগামী বছরের মাঝামাঝি থেকেই ভ্যাকসিন মিলতে পারে বলে আশা। কিন্তু এই বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় ভ্যাকসিন উৎপাদনের হার সীমিত। ফলে প্রাথমিক পর্বে যে সমস্ত মানুষের সংক্রমণ ও প্রাণনাশের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, (করোনা-যোদ্ধা, বয়স্ক) তাঁদেরই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সমস্ত মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে অন্তত দু’বছর সময় লাগতে পারে। সারা বিশ্বে বর্তমানে সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। পৃথিবীব্যাপী মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০% সংক্রমিত হয়ে পড়বেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ।

ফেব্রুয়ারিতে উপসর্গযুক্ত সংক্রমণের হার তলানিতে ঠেকতে পারে বলে মত দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞেরা। গবেষণামূলক পদ্ধতি থেকে বোঝা যাচ্ছে, আরও ৩-৪ মাস স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে ভারতে প্রকোপ কমে আসবে। কোডাজেনিক্স সিডিএক্স ০০৫ নামে ইনট্রানেজ়াল ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট তৈরির কাজ শুরু করেছে সিরাম ইনস্টিটিউট। ইতিমধ্যেই পশুদের উপরে এই ইনট্রানেজ়াল ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হয়েছে। মানবদেহে কোডাজেনিক্সের প্রথম দফার পরীক্ষা এ বছরের শেষে ব্রিটেনে শুরু হওয়ার কথা।


