সন্ধান২৪.কম: আলোকচিত্রাচার্য মনজুর আলম বেগের ২৫ তম প্রয়াণ দিবস পালন করা হলো।
গত ৩০ জুলাই জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেষ্টুরেন্টে মনজুর আলম বেগের স্মরণ সভার আয়োজন করে একসময় তার শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্খিরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপস্থিত সবাই প্রয়াত মনজুর আলম বেগের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাইফুল হক টনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন নিউইয়র্ক ফটো ফেয়ার ফেসবুক গ্রæপের এ্যাডমিন মোহাম্মদ আলী সেলিম।

এর পর “মনজুর আলম বেগ : আলোকচিত্রাকাশের অমিতাভ তারা’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন আলোকচিত্রি,শিক্ষক ও আলোকচিত্রশিল্প গবেষক সাহাদাত পারভেজ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্মরণ সভার অন্যতম আয়োজক চিত্রশিল্পী ও গবেষক ওবায়দুল্লাহ মামুন।
চিত্রশিল্পীর বর্ণাঢ্য জীবন ও শিল্পকর্ম নিয়ে আলোচনা করেন, প্রবীন সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ জাকির আহমেদ রনি,সমাজসেবক শাহ জে. চৌধুরী,সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ,সাবেক ছাত্রনেতা জাকির হোসেন বাচ্চু।
পঠিত প্রবন্ধে সাহাদাত পারভেজ বলেন,‘আলোকচিত্রাচার্য মনজুর আলম বেগ বাংলাদেশের আলোকচিত্র আন্দোলনের একজন পথিকৃৎ ছিলেন। তার সৃজনকর্মের যে বিশালতা এই সামান্য প্রবন্ধে তা তুলে ধরা কঠিন। তবে ভবিষ্যতে বিস্তৃত পরিসরে তার সামগ্রিকতা তুলে ধরার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বেগার্ট ইনস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি ও বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটি [বিপিএস] প্রতিষ্ঠা তার সবচেয়ে উল্লেযোগ্য কাজ। এছাড়া ক্যামেরা রিক্রিয়েশন ক্লাব, বাংলাদেশ ফটোপ্রাফিক ইনস্টিটিউট [বিপিআই] প্রতিষ্ঠায় রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য অবদান। বিপিএসের মাসিক মুখপত্র বিপিএস নিউজ লেটার বা পরবর্তী সময়ের মাসিক ফটোগ্রাফি তারই মস্তিস্কপ্রসূত। এছাড়া তিনি ফটোগ্রাফি বিষয়ে বেশ কয়েকটি মূল্যবান বই লিখেছেন। বইগুলো ফটোগ্রাফির আকরগ্রন্থ বলে বিবেচিত। এর বাইরেও তার অনেক কাজ আছে। তবে মূলত এই কাজগুলোর জন্যই তিনি বাংলাদেশের আলোকচিত্রের আকাশে অমিতাভ তারা হয়ে আছেন।’