নিউইয়র্কে সিরাজুল আলম খানকে স্মরণ

সন্ধান২৪.কম: জয় বাংলা শ্লোগান ,শেখ মুজিবকে ‘বংগবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত, বাংলাদেশের পতাকা ,জয় বাংলা বাহিনী গঠন করে দেশকে পাকিস্তানীদের কবল থেকে মুক্তির জন্য সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামের দিকে নিয়ে স্বাধীন করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে দেশের মানুষ ও ছাত্রসমাজ পরিচালিত করে ছিলেন। এক কথায় বলা যায় সিরাজ ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভেনগার্ড ও বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রোষ্টা। গত ৮ ডিসেম্বর শুক্রবার নিউইয়র্কের একটি রেস্টুরেন্টে ‘সিরাজুল আলম খান স্মৃতি পরিষদ’ এক স্মরণ সভার বক্তরা এমন কথা বলেন।
সংগঠনের আহবায়ক ড. মহসিন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় অব নিউ অরলিন্সের এমিরেটস অধ্যাপক ড. মোস্তফা সারওয়ার । সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব শাহাব উদ্দীন ।

আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন,মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান ,ডা: মুজিবুল হক,ওংালিউল ইসলাম সেলিম,লিগেল কনসালটেন্ট মুজিবুর রহমান,আনোয়ার হোসেন লিটন, এডভোকেট মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
সারওয়ার বলেন, সিরাজুল আলম খান সব সময় কর্মীদের বুকে আগলে রাখতেন। আদর্শিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতেন। তিনি বহু নেতার সৃষ্টি করেন। জয় বাংলা শ্লোগান ,শেখ মুজিবকে ‘বংগবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত, বাংলাদেশের পতাকা ,জয় বাংলা বাহিনী গঠন করে দেশকে পাকিস্তানীদের কবল থেকে মুক্তির জন্য সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামের দিকে নিয়ে স্বাধীন করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে দেশের মানুষ ও ছাত্রসমাজ পরিচালিত করে ছিলেন। এক কথায় বলা যায় সিরাজ ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভেনগার্ড ও বাংলাদেশের স্বপ্লদ্রোস্টা।
অন্যান্য বক্তরা বলেন, আজ হত্যা,হিংসা ও ধংসের রাজনীতি দেশ ও জাতীকে ধংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে এসেছে। এই ধারা পরিবর্তন করা একান্ত জরুরী। একটি গনতান্ত্রিক দেশে মতদ্বৈততা থাকবে একটাই স্বাভাবিক। এটা আদর্শিক মতবাদিক সংগ্রামের মাধ্যমে ই মোকাবেলা করতে হবে।
বক্তরা আরও বলেন, সিরাজুল আলম দ্বীকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট, শ্রমিক কৃষক ,ছাত্র সহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর ও পেশার মানুষের নিয়ে বহু গবেষনা মূলক লেখা রেখে গেছেন। এই সব লেখা আমাদের নূতন প্রজন্মের গবেষণার জন্য ও এগুলোকে সংগৃহিত করা একান্ত জরুরী।

Exit mobile version