সন্ধান২৪.কম : বাংলাদেশে সামনে নির্বাচন আসছে, নির্বাচনের আগে-পরে সংখ্যালঘুরা যাতে নির্যাতিত না হয় সেজন্য সরকারকে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে ইন্ডিয়ান সাব-কন্টিনেন্ট পার্টিশন ডকুমেন্টেশন প্রজেক্ট নামের একটি সংগঠন।
আইনের একটি খসড়া এরইমধ্যে ওয়াশিন্টনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের আগে-পরে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধের জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানায়।
আটলান্টিক সিটির জিম হুয়েলান বোর্ডওয়াক হলে এই সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত তিন দিন ব্যাপী বঙ্গ সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়। এতে সহযোগিতা করে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শাখা।
সংগঠনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়েছে, গত শনিবার ১লা জুলাই বিকেলে আটলান্টিক সিটির জিম হুয়েলান বোর্ডওয়াক হলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংগঠন ‘ইন্ডিয়ান সাব-কন্টিনেন্ট পার্টিশন ডকুমেন্টেশন প্রজেক্ট’ এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সংগঠনের চেয়ারম্যান ড.দিলীপ নাথের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ঐ আলোচনাা সভায় আলোচক ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা এবং একুশে পদক প্রাপ্ত লেখক ডক্টর নূরন নবী, ডিষ্টিংগুয়িশড্ প্রফেসার ও লেখক ডক্টর সব্যসাচী দস্তিদার, লেখক ও পশ্চীমবঙ্গ বিজেপির সাবেক সভাপতি তথাগত রায়, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা ডা. মাসুদুল হাসান। লেখকও কলামিস্ট শিতাংশু গুহ, যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নবেন্দু দত্ত, এটর্ণি অশোক কর্মকার,কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য এবং ‘হিন্দু একশন’ কমিটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও অর্কিটেক্ট উৎসব চক্রবর্তি।
সভায় বক্তারা এবার সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজকে নির্বিঘেœ পুজো এবং শারদোৎসব উদযাপনের নিশ্চয়তা বিধান করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। বক্তারা বলেন, সরকারের চাইলে সংখ্যালঘু নির্যাতন ঠেকানো সম্ভব। তারা বলেন যে ২০১৩ সালে রামুর বিভৎসতা থেকে শুরু করে ২০২১ সালের পুজো পর্যন্ত কিছুদিন পর পর ধর্মীয় জাতীয়তাবাদী, মৌলবাদী ও উগ্রপন্থী চক্র দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর বর্বর অত্যাচার করে আসছে, সরকারের উচিত ভবিষ্যতে এ ধরণের সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস বন্ধের ব্যবস্থা নেয়া।
২০১৮ সালের আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রæতিতে‘সংখ্যালঘু কমিশন’ ছাড়াও আরও কিছু আইনকে ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’-এর অন্তর্ভূক্ত করে একটি কঠোর বিল পাশ হলে সংখ্যালঘুরা কিছুটা রেহাই পেতে পারে। বক্তারা বলেন, সামনে নির্বাচন আসছে, নির্বাচনের আগে-পরে সংখ্যালঘুরা যাতেনির্যাতিত না হয়, সরকারকে এ বিষয়ে এই বিল পাশ করার মাধ্যমে সতর্ক হতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, সাম্প্রায়িক সম্প্রতি প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-ভিত্তিক ১৯৭২ সালের সংবিধান পুন:প্রতিষ্ঠারকোন বিকল্প নাই। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
