Wednesday, April 22, 2026
  • Login
No Result
View All Result
Advertisement
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
No Result
View All Result
Home বাংলাদেশ

অন্ধকার ঘেরা সেই জনপদে জ্বলছে আলো

March 21, 2022
in বাংলাদেশ
Reading Time: 1 min read
0
0
0
SHARES
2
VIEWS
Share on Facebook

অন্ধকার ঘেরা পটুয়াখালীর জনপদে নির্মাণ করা হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ ও সর্বাধুনিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র।

পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র আজ সোমবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থেকে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
আজ প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা দেবেন জানান সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ বিনিয়োগে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) মালিকানায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ‘পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র’ নামে তৈরি হয়েছে। প্রকল্পের প্রথম অংশে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট (মোট ১৩২০) মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।

পাশাপাশি প্রকল্পের দ্বিতীয় অংশে আরও ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বর নাগাদ শেষ হবে বলে জানান প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা। এতে করে জাতীয় গ্রিডে পায়রা থেকে মোট ২৬৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শাহ আব্দুল মাওলা জানান, ২০২০ সালের ১৫ মে থেকে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট উৎপাদন শুরু করে এবং ওই বছরের ডিসেম্বরে দুটি ইউনিটে মোট ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা লাভ করে।

তবে সঞ্চালন লাইন নির্মাণ না হওয়ায় এখন একটি ইউনিট চালু রাখা হয়েছে। তবে এ বছরের ডিসেম্বর নাগাদ জাতীয় গ্রিডে ১৩২০ মেগাওয়াটের পুরোটাই সরবরাহ করা যাবে। প্রধানমন্ত্রী ওই প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন আজ।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী পটুয়াখালীতে আসবেন। আমরা বড় সৌভাগ্যবান যে দীর্ঘ দুই বছর পর সশরীরে আমরা তাকে পাচ্ছি। প্রোগ্রামের যে কর্মসূচি রয়েছে, তাতে প্রধানমন্ত্রী ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র শুভ উদ্বোধন করবেন। সুধীজনদের সঙ্গে এক মতবিনিময় করবেন। পাশাপাশি সারা দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা করবেন।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর ওই সফরে মন্ত্রিপরিষদের অন্তত ২০-এর অধিক সম্মানিত সদস্যবৃন্দ আসবেন ও ৩০ জনের অধিক সচিব আসবেন এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রের অ্যাম্বাসেডররা উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩০ পরিবারের জন্য নির্মিত আবাসন প্রকল্প ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত ১৩০ পরিবারের মাঝে বাড়ির চাবি হস্তান্তর করেন।

২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন পায়রা ১৩২০ মেঘাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়েছে দ্বীপ রাঙ্গাবালীর মানুষ: জেলার সদর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালী। এখানকার মানুষ সন্ধ্যা নামলেই হারিকেন-কুপির আলোয় রাতযাপন করতেন। একবিংশ শতাব্দীতে এসেও এই দ্বীপের মানুষের কাছে বিদ্যুতের আলো ছিল স্বপ্নের মতো।

তবে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে সম্প্রতি প্রায় সাড়ে ২৫ হাজারের বেশি গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। স্থানীয়রা বলছেন, বিদ্যুৎ পেয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ।

এ দ্বীপের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে আগুনমুখা, পূর্বে বুড়াগৌরাঙ্গ ও পশ্চিমে রাবনাবাদ নদীবেষ্টিত। ২০১২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিচ্ছিন্ন দ্বীপটিকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করার পর এবং সেখানে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের জোয়ার বয়ে গেছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টরা জানান, এই উপজেলাকে বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আনতে উপজেলার ছোট বাইশদিয়া ইউনিয়নের গহিনখালীতে ১০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। গলাচিপা নদী ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর দুটি শাখার ৫ দশমিক ৩৮ কিলোমিটার তলদেশ দিয়ে ১১ কেভি সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এই উপজেলায় বিদ্যুৎ পৌঁছানো হয়।
প্রায় ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩৩ কেভির বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানা হয়েছে। রাঙ্গাবালী উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে এক হাজার ২৪১ কিলোমিটার বিদ্যুৎ বিতরণ লাইনের মাধ্যমে ১০৪টি গ্রামে ২৫ হাজার ৩৫৮ জন গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ২৬০ কোটি টাকা।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির রাঙ্গাবালী সাব জোনাল অফিসের অফিসার্স ইনচার্জ মো. তৌফিক ওমর বলেন, রাঙ্গাবালীতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে আটটি সাবস্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলে বিদ্যুৎ সংযোগ টানা হয়েছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে কাজ শুরু করে শেষ হয় গত বছরের অক্টোবরে শেষ হয়। এই লাইন টানতে ১৪ মাস সময় লেগেছে।

রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, এই এলাকায় বিদ্যুৎ আসবে এটি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি এখানকার মানুষ। এ উপজেলার একটা বিরাট অংশের মানুষ মৎস্যজীবী। মাছ সংরক্ষণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো বরফ। এখন সেটি তাদের কাছে সহজলভ্য হয়ে গেছে। এর আগে বরফ আনতে গলাচিপা বা কলাপাড়া উপজেলায় যেতে হতো।

পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে সাশ্রয় একশ মিলিয়ন ডলার : দেশের বৃহৎ পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে শেষ হয়েছে দুটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদনের নির্মাণকাজ। নির্মাণাধীন থাকতে কয়েক দফা ব্যয় বাড়লেও যে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল তা থেকে একশ মিলিয়ন ডলার কম খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ বিনিয়োগে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট থেকে বর্তমানে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শাহ আবদুল মওলা।

এ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে দেশের বিদ্যুতের ঘাটতি কিছুটা কমবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয় দেশ হিসেবে অত্যাধুনিক ঢাকনাযুক্ত কোলডোম ব্যবহার করেছে, যার কারণে পরিবেশের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলবে না।

জানা গেছে, নির্মাণকাজ করতে গিয়ে কয়েক দফা ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও সর্বশেষ ২.৪৫ বিলিয়ন ডলার নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণ করলেও তা থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার কম খরচ হয়েছে। এখন চলছে দ্বিতীয় ফেইজের নির্মাণকাজ। আগামী ২০২৪ সালের ডিসেম্বর নাগাদ সেটির নির্মাণকাজও শেষ হবে। ফলে এই প্লান্ট থেকে তখন ২৬৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে।

Related Posts

বাংলাদেশ

মনোনয়ন না পেয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললেন কনক চাঁপা

April 20, 2026
5
বাংলাদেশ

রিজার্ভ চুরির মামলা: নিউইয়র্কের আদালতে ১০ এপ্রিল মনসুর জবানবন্দি দেবেন

April 6, 2026
10
No Result
View All Result

Recent Posts

  • মনোনয়ন না পেয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললেন কনক চাঁপা
  • জিয়ার ‘মেয়ে’ বেবী নাজনীন মনোনয়ন পাননি, নিউইয়র্ক বিএনপির কর্মীরা  হতাশ
  • বড় রোগ বাসা বাঁধার আগে সংকেত দেয় মহিলাদের শরীর! কোন লক্ষণ অবহেলা করলেই বিপদ?
  • নিজের ভুল থেকেই শিখবে সন্তান ! খুদেদের স্বনির্ভর করতে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘ফ্যাফো পেরেন্টিং’
  • আবার অশান্ত হরমুজ, ইরানি জাহাজের দখল মার্কিন সেনার, পাল্টা হামলা ইরানের

Recent Comments

    Sanjibon Sarker
    Editor in Chief/ President

     

    Weekly Sandhan Inc.
    Address: 70-52 Broadway 1A, Jackson Heights, NY 11372.
    Contact: +1 646 897 9262
    Email: weeklysandhan@gmail.com,
    www.sandhan24.com

    Bimal Sarkar
    Executive Editor
    Contact: +1 512-576-2944

    Quick Link

    • সম্পাদক
    • গ্যালারি

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    No Result
    View All Result
    • Home
    • Login

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In
    This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.
    Go to mobile version